পবিত্র ফাতেহা ইয়াজদাহম আজ। সারা দেশে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিবসটি পালিত হবে। গাউসুল আযম বড় পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী (র.)-এর ওফাত দিবস বিশ্বের মুসলমানদের কাছে ‘ফাতেহা ইয়াজদাহম’ নামে পরিচিত।
‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ এগারো। ‘ফাতেহা ইয়াজদাহম’ বলতে রবিউস সানি মাসের এগারো–এর ফাতেহা শরিফকে বোঝায়। এই পবিত্র ফাতেহা ইয়াজদাহম শরিফ ইমামুল আউলিয়া পীরানে পীর গাউসুল আযম দস্তগীর হজরত মুহিউদ্দিন আবদুল কাদের জিলানী (র.)-এর স্মরণে পালিত হয়। পবিত্র ফাতেহা ইয়াজদাহম উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
দিবসটি সমগ্র বিশ্বে, বিশেষ করে উপমহাদেশের মুসলমানদের কাছে খুব তাৎপর্যপূর্ণ। আল্লাহর রাসূলের (সা.) পর্দা করার পর সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীনে ইমামদের সোনালি যুগে কোরআন–হাদিসের আলোকে দুনিয়া ছিল ঝলমল। পরবর্তীতে ভোগবাদী স্বার্থাম্বেষী ও বিজাতীয় ষড়যন্ত্রের ফলে উম্মতের ঐক্য নষ্ট হয়ে বিভিন্ন ফেরকার সৃষ্টি হয়। যার ফলে মুসলমানদের বিজয়ের ধারা মুখ থুবড়ে পড়ে। কিন্তু মহান ওলীগণ জিহাদের ময়দান থেকে সামান্য সময়ের জন্যও পিছু হটেননি। বড়পীর আবদুল কাদের জিলানীর (রহ.) সাপ্তাহিক মাহফিলে তৎকালীন জামানায় ৬০–৭০ হাজার মানুষ হাজির থাকতেন। তাঁর কণ্ঠের আওয়াজ এবং আহ্বান শুনে অনেকেই আর ঘরে ফেরেননি, ছড়িয়ে পড়েছেন বিশ্বের সর্বত্র। কোটি কোটি মানুষ তার কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ধন্য হয়েছেন।
ফাতেহা ইয়াজদাহম উপলক্ষে চট্টগ্রামের বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা দিনটি ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে কাটাবেন।











