আফগানিস্তানের টি–টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব হারানোর ছয় মাস পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন রাশিদ খান। তারকা এই লেগ স্পিনার বলেছেন, দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে তাকে কিছুই জানায়নি আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। চলতি বছরের শুরুতে রাশিদের নেতৃত্বে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভালো করতে পারেনি আফগানিস্তান। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় তারা। পরে গত মার্চে তাকে সরিয়ে, ইব্রাহিম জাদরানকে এই সংস্করণের অধিনায়ক করে শ্রীলঙ্কা সিরিজের দল দেয় এসিবি। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে সিরিজটি শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়ায়নি। খবর বিডিনিউজের।
দল ঘোষণার পরই দায়িত্ব হারানোর কথা জানতে পারেন রাশিদ। রেড বুলের উদ্যোগে আয়োজিত এক সাক্ষাৎকারে ক্রিকইনফোকে এমনটা জানিয়েছেন আফগান তারকা। বলেছেন, ‘ওই সময়ে ঠিক কী ঘটেছিল, আমি সেটাও জানি না। বোর্ড অধিনায়ক বদলের ঘোষণা দেওয়ার পরই আমি বিষয়টি জানতে পারি।’
২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্স করলেও, রাশিদের অধিনায়কত্বে আফগানিস্তানের রেকর্ড ভালোই ছিল। তার নেতৃত্বে ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি–ফাইনালে খেলে দলটি। সব মিলিয়ে, ৪৮টি টি–টোয়েন্টি ম্যাচে আফগানদের অধিনায়কত্ব করেছেন রাশিদ। এর মধ্যে ২৬টি ম্যাচ জিতেছে দল, হেরেছে ২২টি। আফগানিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে রাশিদের চেয়ে ভালো জয়–হারের অনুপাত ছিল শুধু আসগর আফগানের। তবে তার অধিনায়কত্বের সময়টায় আফগানিস্তান তুলনামূলক র্যাঙ্কিংয়ের নিচের দলগুলোর বিপক্ষে নিয়মিত খেলত। নেতৃত্ব হারালেও, দলের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গায় একটুও ছাড় দিচ্ছেন না রাশিদ। নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে দলের জয়ে অবদান রাখার লক্ষ্য থাকে তার।
তিনি বলেছেন, ‘আমার নেতৃত্বে, আমরা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি–ফাইনালে উঠেছি, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছি। তবে মাঝেমধ্যে কিছু বিষয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তবে এখন সেসব পেছনে ফেলে এসেছি। অধিনায়ক থাকি বা না থাকি, আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। আমার যে দক্ষতা ও সামর্থ্য আছে, সেগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি। আফগানিস্তানের হয়ে ভালো করা এবং দলকে জেতানো, এটাই আমার নিয়ন্ত্রণে আছে।’













