সাবেক মেয়র ও প্রশাসকসহ নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বহর নিয়ে শপথ নিতে ঢাকায় যাচ্ছেন নতুন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। আজ বুধবার দুপুর দেড়টায় নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠ থেকে সোহাগ পরিবহনের এসি বাসযোগে কাউন্সিলর, তাদের আত্মীয়-স্বজন এবং নেতাকর্মীরা রওনা হবেন বলে জানিয়েছেন আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী।
নিজের পাজেরো জিপে করে বিশাল এ বহরে যুক্ত হবেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সদ্য বিদায়ী চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, সিডিএ চেয়্যারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, নগর আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আবদুচ ছালামসহ নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও। দলীয় মেয়র এবং কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণে যাওয়ার জন্য শীর্ষ নেতাদের চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি নবনির্বাচিত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরাও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ঢাকা থেকে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে চট্টগ্রামের সব মন্ত্রী ও এমপিদের।
ঢাকায় পৌঁছে তোপখানা রোডে হোটেল এশিয়ায় রাত্রি যাপন শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরসহ আমন্ত্রিত নেতারা। সেখানে মেয়র রেজাউলকে ভার্চুয়ালি শপথবাক্য পাঠ করনোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। নির্বাচিত কাউন্সিলরদের শপথ পাঠ করাবেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
শপথ নিতে ঢাকায় রওনা দেয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন নির্বাচিত ৪০ জন সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১৪ জন সংরক্ষিত (মহিলা) কাউন্সিলর।
নবনির্বাচিত মেয়র শপথ গ্রহণ শেষে ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। ১২ তারিখ সকালে মেয়রের নেতৃত্বে সকলে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে যাবেন। সেখান থেকে রাতে কাউন্সিলররা চট্টগ্রামে ফিরে আসবেন। ১৩ তারিখ নবনির্বাচিত মেয়র ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন। ১৪ তারিখ সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রী ও সচিবদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। ১৫ তারিখ সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট হলে সাংবাদিকসহ চট্টগ্রামের সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় করবেন। এরপর দুপুর ১টায় তিনি সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে মেয়রের দায়িত্ব নেবেন।
উল্লেখ্য, ২৭ জানুয়ারি ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হন রেজাউল করিম চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট।
সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১৪ জন এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ৪০ জন নির্বাচিত হয়। ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে ওই পদে নির্বাচন হয়নি। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট হবে।













