দূর হচ্ছে চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজার ও নিশ্চিন্তাপুর সড়কের দুর্ভোগ

ইউনিব্লক প্রযুক্তিতে পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি | শনিবার , ৮ আগস্ট, ২০২৬ at ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ

দীঘদিনের জনভোগান্তি নিরসনে রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজার থেকে লিচুবাগান এবং কূষ্ঠ হাসপাতাল সংলগ্ন বনগ্রাম নিশ্চিন্তাপুর সড়ক দুটিকে নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা সম্ভাব্য ব্যয়ে প্রথাগত সড়কের বদলে আধুনিক ও স্থায়ী ‘ইন্টারলকিং ইউনিব্লক’ ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে এই সংযোগ পথ পুনর্নিমাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জেলার সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন হলে আগামী নভেম্বরডিসেম্বর নাগাদ কাজটি বাস্তবায়ন হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম৭ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর প্রচেষ্টায় চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে এই টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র দোভাষী বাজার থেকে লিচুবাগান মোড় পর্যন্ত ৭৮৫ মিটার এবং কুষ্ঠ হাসপাতাল প্রবেশমুখ থেকে বনগ্রাম নিশ্চিন্তাপুরমুখী ৭১৫ মিটারসব মিলিয়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তা ইউনিব্লক দিয়ে উন্নত করা হবে। এটি সাধারণ ইটের তৈরি সড়কের চেয়ে বহুগুণ বেশি ভার বহনে সক্ষম এবং দীর্ঘস্থায়ী বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজটি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার সভায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অনুমোদন হলে অনুকূল পরিবেশ থাকলে আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ দরপত্র আহ্বান শেষে নভেম্বর বা ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সরাসরি উন্নয়ন কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সড়ক দুটি নতুন রূপে নির্মিত হলে এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

এদিকে দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা সড়কটির কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বাণিজ্যিক এলাকাটিতে আসা রাঙ্গুনিয়া ও আশেপাশের উপজেলার হাজারো মানুষ। লিচুবাগানদোভাষা বাজার সড়ক পথে শতবর্ষী মিশন হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল, ডাক্তার পাড়া খ্যাত দোভাষী বাজারের শতাধিক চিকিৎসক চেম্বার ও দোভাষী বাজারে আসা যাওয়া করেন প্রতিদিন হাজারো মানুষ।

তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম জানান, এটি আপাতত প্রাথমিক প্রস্তাবনা হিসেবে রয়েছে।

এলজিইডির জেলা কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে ঠিকাদার নির্বাচন করা হবে এবং এরপরই অবকাঠামোগত মূল কাজ শুরু হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধহল্যান্ড থেকে
পরবর্তী নিবন্ধ‘ইসলামের প্রচারে শাহ আলী রজা কানু শাহ’র অবদান অনস্বীকার্য’