ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে দেয়ালে আঁকা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতি মুছতে গিয়ে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়েছেন একদল তরুণ। এসময় ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ এর সদস্যসচিব আ ন ম আয়াসসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিকৃতি মুছতে গেলে তাদেরকে নিবৃত করার কথা বলেন পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, তারা গ্রাফিতি মুছতে এসেছিল, পুলিশ তাদেরকে নিবৃত করেছে। খবর বিডিনিউজের।
ঘটনাস্থলে এক নারী রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি দিতে দেখা যায়, তখন এক পুলিশ সদস্য তাকে বাধা দেন। এসময় ওই নারী বলেন, তারা ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানাতে এসেছেন। পুলিশি বাধার মুখে আয়াসের নেতৃত্বে তারা স্লোগান দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আয়াসসহ চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার এসআই আবদুল খালেক বলেন, তিনজন পুরুষ ও একজন নারীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে, তারা বর্তমানে হেফাজতে রয়েছেন। তাদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতনরা সিদ্ধান্ত নেবেন বলে ভাষ্য এ পুলিশ সদস্যের।
গত ৫ অক্টোবর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এরপর ফুটপাতের দেয়ালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও কাজী নজরুল ইসলামসহ শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা গুণী ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি আঁকা হয়।
শুক্রবার ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের একটি ফেসবুক পেইজ থেকে এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের ছবি আঁকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। সত্যজিৎ রায় কিংবা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতিকৃতি আঁকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। শনিবার ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ এর আয়াসের নেতৃত্বে সেসব প্রতিকৃতি মুছতে যায় একদল লোক।












