বাঁশখালী–আনোয়ারার মধ্যবর্তী সাঙ্গু (শঙ্খ) নদীর ওপর অবস্থিত তৈলারদ্বীপ সেতু ইজারা প্রদানের মাধ্যমে আবারও টোল আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ৩০ জুন চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ইজারা কোটেশন আহ্বান করে। তারপর থেকে সেটা নিয়ে আবার জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভের ঝড় বইছে।
সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর জনবিক্ষোভের মুখে সেতুটির টোল আদায় বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সেখানে আরো কয়েকবার টোল ঘর নির্মাণ ও টোল আদায়ের চেষ্টা করা হলেও বারবার ব্যর্থ হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এমনকি আনোয়ারা বাঁশখালীর দুই উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গণশুনানি এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে স্থায়ীভাবে টোল বন্ধে আবেদন করা হয়েছিল। এদিকে সমপ্রতি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ সেতুটি ইজারা দেওয়ার কোটেশন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যার ফলে এটি আবারো আলোচনায় ওঠে আসে। এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাঁশখালীর স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, ২০০০ সালে বাঁশখালী–আনোয়ারার ২৩তম কিলোমিটারে ৫২১.৩২মিটার দীর্ঘ সেতুটি ২৪ কোটি ৭১লক্ষ ৪৫ হাজার ২১২ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়। ২০০৬ সালের ২৯আগস্ট সেটি উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সেই থেকে সেতুতে টোল আদায় শুরু হয় এবং যা থেকে ব্যয়ের বহুগুণ বেশি অর্থ আদায় হয়েছে। তাই স্থানীয়রা সেতু পারাপারে আবারো টোল ব্যবস্থার ঘোর বিরোধিতা করছেন।
এ বিষয়ে জানতে সওজের দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমাকে ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।












