তিন ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস কংগ্রেস ও এনওয়াইবিবি ফিউচার বায়োটেক সামিট

| সোমবার , ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ at ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ

নেটওয়ার্ক অব ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (এনওয়াইবিবি) এবং নাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির (এনআইবি) উদ্যোগে জীবপ্রযুক্তি, জিনোমিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গবেষণার সমন্বিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন গতকাল রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনটি ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার পেয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ। ৪র্থ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বায়োটেকনোলজিভিত্তিক ব্যবসার উদ্ভাবনী ধারণা বিষয়ক প্রতিযোগিতা, বায়োটেকনোলজির সেরা শিক্ষার্থী ও সেরা তরুণ গবেষকএই তিন শাখায় বিজয়ী হয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থী আতিয়া শেহরিন, মুমতাহিন বিন আবেদিন, সানজিদা আফতাব শোভা, ফারিহা আহমেদ রাইসা ও বিভাগের শিক্ষক ড. মো. মাহবুব হাসান। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘জীবপ্রযুক্তিতে ওমিঙ ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’, যেখানে আধুনিক বায়োটেকনোলজি ও এআইয়ের সমন্বিত প্রয়োগ, গবেষণার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা এবং বৈশ্বিক উদ্ভাবন ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. সায়েমা হক বিদিশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ এবং অ্যারিস্টোফার্মার পরিচালক সাদমান শাহরিয়ার হাসান।

বাংলাদেশের জৈবপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের চালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষ পলিসি টকে মূল বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান। সঞ্চালক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুব ও প্রফেসর ড. মাহবুবুর রশীদ। সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজিম আখন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক প্রফেসর ড. এস. এম. আবদুল আওয়াল। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সগির আহমেদ। গবেষণা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য অ্যাওয়ার্ড অফ এঙিলেন্স অর্জন করেন তরুণ জীবপ্রযুক্তিবিদ ড. মো. মাহবুব হাসান, . শিপন দাশ গুপ্ত, সেজান রহমান, মো. আরিফ খান, উজ্জ্বল হোসেন, . রাসেল দাশ, . সাইদ আনোয়ার, . মীর মুবাশির খালিদ, . জান্নাতুল ফেরদৌস পাপড়ি। সেরা শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন ফারিহা আহমেদ রাইসা, ইয়াসিন রহমান, মুহাইমিনুর রহমান, তাহিয়া আকতার তান্মি ও মামুনুজ্জামান। থিসিস উপস্থাপন প্রতিযোগিতায় চাম্পিয়ন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহাইমিনুর হোসেন, রানার আপ হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনলজি বিভাগের উচ্ছাস সিকদার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহাম্মদ ইয়াসিন রহমান। বিজনেস আইডিয়া উপস্থাপন প্রতিযোগিতায় চাম্পিয়ন হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং রানার আপ হয় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরোকেয়া-সামশুল ইসলাম এতিমখানা হেফ্‌জখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
পরবর্তী নিবন্ধবিজিসি ট্রাস্ট ভার্সিটির স্প্রিং সেশনের ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের নবীন বরণ