জনস্থানে নারীর নিরাপত্তায় জোর দিতে হবে

| রবিবার , ১২ ডিসেম্বর, ২০২১ at ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ

ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয় নারী ও কন্যাশিশুরা। জন সমাগমস্থল ও চলার পথকে নারীদের জন্য নিরাপদ করতে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি রোধে জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। একজন নারীর নিরাপত্তা ও চলার পথকে মসৃণ করতে হলে, তার জন্য অবশ্যই উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে তরুণ সমাজকে।
গতকাল শনিবার জনস্থানে নারীর নিরাপত্তা ক্যাম্পেইন বিষয়ক এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ডিইসি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ইউএনডিপি, সিআরআই, ইয়ং বাংলা ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সহযোগিতায় চট্টগ্রামের যুব সংগঠন ও তরুণ সংগঠকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে চট্টগ্রামের ৪৭টি সংগঠন অংশগ্রহণ করেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী সংগঠনের নারী সদস্যরা জনস্থানের কী কী সমস্যায় পড়েন সেসব অভিজ্ঞতার কথা ও এর থেকে সমাধানের উপায় নিয়েও আলোচনা করেন। সভায় চট্টগ্রামের ৮৪ জন যুব সংগঠক অংশগ্রহণ করে নারীর প্রতি নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতে অঙ্গীকার করেন। নগরীর স্টেশন রোডে এশিয়ান এসআর হোটেলে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ক্যামেপইনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, অংশগ্রহণমূলক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, অংশীদার বিশ্লেষণ এবং তাদের দায়িত্ব নির্ধারণসহ প্রচারাভিযান সফল করার মূলনীতি নিয়ে আলোচনা এবং বিগত কাজের উপস্থাপন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিইসি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সোমেন কানুনগো। কর্মশালায় আলোচনা করেন চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা বিদ্যুৎ বড়ুয়া, র‌্যাংকস প্রোপার্টিস এফসি লিমিটেডের সিইও তানভীর শাহরিয়ার। একজন নারী সহিংসতার শিকার হলে তার কী কী করণীয় কিংবা একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে তরুণদের কী করণীয়, কাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দেন চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সমপাদক মো শাহজাহান, ক্যামেপইনটি অনলাইন প্লাটফর্মে সারা দেশব্যাপী পরিচালিত হলেও বিশেষ বিবেচনায় বাংলাদেশের ১০টি স্থানে সিআরআইয়ের ইয়ুথ প্লাটফর্ম ইয়ং বাংলার ১০টি সংগঠনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে পরিচালিত হচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাঙ্গুনিয়া ও মহেশখালীতে পাঁচ বসতঘর পুড়ে ছাই
পরবর্তী নিবন্ধ১২ কোটি টাকার স্পট ঋণ বিতরণ অগ্রণী ব্যাংকের