চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির বার্ষিক সাধারণ সভা গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। সিএমসসিআই কনফারেন্স রুমে পবিত্র কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে সভার কর্মসূচি শুরু হয়। সিএমসিসিআই সভাপতি খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভার কার্যক্রম শুরু করা হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি এ এম মাহবুব চৌধুরী, সহ সভাপতি এম এ মালেক, সহ–সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, পরিচালক সর্বজনাব মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন আলম, পরিচালক প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ, প্রফেসর জাহাঙ্গীর চৌধুরী, এম সোলায়মান এফসিএমএ, অজিত কুমার দাশ, মাসুদ করিম, মোহাম্মদ শাহ আলম, লে. (অব.) জোবাইদা শারমিন এবং বিএসআরএম গ্রুপের পক্ষে উপ–ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেন গুপ্তসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আলোচ্যসূচি অনুযায়ী বিগত সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুমোদন, বিগত বছরের বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যক্রম, বার্ষিক প্রতিবেদন, বিগত বছরের আয়– ব্যয়ের হিসাব এবং চলতি বছরের অডিটর নিয়োগ অনুমোদন করা হয়। উত্থাপিত প্রতিবেদনসমূহের উপর আলোচনা, পর্যালোচনা শেষে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। সভাপতি তার বক্তব্যে বিগত বছরে চেম্বারের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলীর উপর উপর আলোচনা করেন। তিনি বলেন, সকলের সম্মলিত প্রচেষ্টায় সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন নিয়েই তার সদস্যদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। সিএমসিসিআই ব্যবসায়ীদের স্বার্থে আরও জোরালো ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে তার জন্য পূর্বের ন্যায় ভবিষ্যতেও তাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় আমন্ত্রিত অতিথিরা ব্যবসায় পরিচালনায় তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয় উল্লেখ করে তা নিরসনে চেম্বারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। সভাপতি এ ব্যাপারে সিএমসিসিআই বরাবর লিখিত আকারে প্রেরণের আহ্বান জানিয়ে তা দ্রুত নিরসনে চেম্বার কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন। শেষে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও পরামর্শে সিএমসিসিআই’র কার্যক্রম আরও বেশি সক্রিয় হবে। এর আগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ৬৩ তম পরিচালনা পর্ষদের সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা এবং চট্টগ্রাম রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত আসন্ন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রপ্তানি মেলার ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











