কারবালা কেবল একটি দুঃখগাঁথা বা কান্নার ইতিহাস নয়। কারবালা হলো ইসলামকে পুনর্জীবিত করার এক অনন্য মহাকাব্য। পবিত্র আন্তর্জাতিক শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল ২০২৬–এ সভাপতির বক্তব্যে নায়েব সাজ্জাদানশীন ও মোন্তাজেমে দরবারে গাউছুল আজম সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী এ কথা বলেন।
রোববার (১২ জুলাই) রাতে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) এবং ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের যৌথ আয়োজনে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এই আন্তর্জাতিক মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী কারবালার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “সাইয়্যেদুশ শুহাদা জান্নাতের যুবকদের সর্দার হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) শিখিয়েছেন বাতিলের শক্তি যতই বিপুল হোক না কেন, হকের পক্ষে অটল থাকাই মুমিনের আসল পরিচয়।”
মাহফিলে বিশ্বের ৫টি দেশ থেকে যুক্ত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামিক স্কলারগণ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন–ভারত থেকে খানকায়ে মোনয়েমীয়ার (পাটনা) সাজ্জাদানশীন আল্লামা প্রফেসর ড. শাহ সৈয়দ শামীমুদ্দীন আহমদ মোনয়েমী, নাগপুরের আল জামেয়াতুর রজবীয়া দারুল উলুম আমজাদীয়ার শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতী ফয়েজ আহমদ মিসবাহী; কানাডা থেকে ইসলামিক ফোরাম অব কানাডার প্রেসিডেন্ট আল্লামা শায়খ ফয়সাল হামিদ আবদুর রাজ্জাক; পাকিস্তান থেকে দরবারে মহরা শরীফের সাজ্জাদানশীন আল্লামা পীর মুজতবা ফারুক গুল বাদশা; শ্রীলঙ্কা থেকে আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলার আল্লামা হাফিজ এহসান ইকবাল কাদেরী এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইমাম আহমদ রেজা এডুকেশনাল ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা মুসা রেজা কাদেরী।
মাহফিলের শেষে বিশ্বশান্তি, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশ–জাতির কল্যাণ কামনা করে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন আওলাদে রাসুল, সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম হযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











