কক্সবাজারের টেকনাফ ও সদর উপজেলার ঝিলংজা এলাকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও চারজন। গতকাল শনিবার সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের কেরুনতলী এলাকায় এবং দুপুরের দিকে ঝিলংজার খরুলিয়ায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
কক্সবাজার–টেকনাফ সড়কের হোয়াইক্যংয়ের কেরুনতলী এলাকায় যাত্রীবাহী সিএনজি টেক্সি ও মিনিট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা এলাকার কেফায়েত উল্লাহর ছেলে টেক্সিচালক এনায়েত উল্লাহ (২৭) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের পণ্ডিতপাড়া এলাকার সজীব আলী (২৫)। সজীব পেশায় ফেরিওয়ালা ছিলেন। আহত চারজন হলেন উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন, রুজিনা আক্তার ও আনোয়ারা বেগম। আহত অপর ব্যক্তির নাম–পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
হাইওয়ে পুলিশের হোয়াইক্যং থানার পরিদর্শক মো. নুরুল আবছার জানান, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকালে কেরুনতলী এলাকায় হোয়াইক্যং স্টেশনমুখী একটি টেক্সির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা মিনিট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে যানবাহন দুটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই টেক্সিচালক এনায়েত উল্লাহ নিহত হন। গুরুতর আহত পাঁচজনকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় দুর্ঘটনাকবলিত সিএজি টেক্সি ও মিনিট্রাক জব্দ করা হয়। মিনিট্রাকের চালক সাইফুল ইসলামকে (২১) আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, এনায়েত উল্লাহর মরদেহ প্রথমে উখিয়ার পালংখালী স্টেশন এলাকার তাজমান হাসপাতালে রাখা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সজীব আলীর মরদেহও ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. ইসহাক নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি কক্সবাজার পৌর এলাকার বৈদ্যঘোনার বাসিন্দা। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী এ তথ্য জানান।












