বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন–বিদ্যমান বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থায় সরকার একদেশে দুই আইন চালু করেছেন। সমপ্রতি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার জন্য গেজেট প্রকাশ করেছেন অথচ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের নবম পে স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ফলে সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ৫ লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা চরম ক্ষুব্ধ ও হতাশ।
যদিও শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন এমপি কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের নবম পে স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করে বেতন ভাতার সরকারি অংশ প্রদান করবেন। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পরও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হতে চলেছে অথচ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের নবম পে স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে এবং কালক্ষেপণ করা হচ্ছে যা অপ্রত্যাশিত ও মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থী। বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আগামী ১০ দিনের মধ্যে নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি শিক্ষকদের অনুরূপ ইনক্রিমেন্ট, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, শতভাগ উৎসব ভাতা এবং পূর্ণাঙ্গ পেনশন সুবিধা প্রদানসহ প্রজ্ঞাপন জারি করে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













