ঘৃণ্য ব্যাধি যৌতুকের কারণে প্রতিবছর অসংখ্য নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়। যৌতুক বন্ধে ভূমিকা না রেখে যৌতুকের মতো ঘৃণ্য প্রথাকে উল্টো আধুনিকায়ন করা হয়েছে। যৌতুককে এখন বলা হচ্ছে উপহার কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। এখন বরপক্ষের কোনো দাবি দাওয়া থাকে না, কেবল আপনি যা দেন। দাবি দাওয়ার কথা সরাসরি না বলে এভাবে কনেপক্ষের ঘাড়ে বন্দুক রেখে জীবন পার করে দেয় যৌতুক লোভীরা। বিয়ের পর শুরু হয় যৌতুকের আরো নানা ধাপ। কখনো ঈদ, কখনো নববর্ষ, কখনো বা অন্য কোনো উৎসব। কথা ঐ একটাই। আমাদের দাবি নাই, সমাজ কী বলবে নিতে হচ্ছে তাই। সমাজের দোহাই দিয়ে আধুনিকতার নামে জুলুমে জর্জরিত করা হচ্ছে কনের পরিবারকে। এভাবে বিয়ের পর থেকে আমৃত্যু এই বোঝা কনের পরিবারকে বহন করতে হয়। এ সমাজে এক শ্রেণির বিত্তবান আছে যারা এই ঘৃণ্য প্রথাকে অন্তর দিয়ে লালন ও পালন করে। যৌতুকের মতো গর্হিত কাজকে তারা আত্মসম্মানের অংশ হিসেবে তুলনা করে। মুখোশের আড়ালের এই আধুনিকতাকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করতে হলে সমাজ, রাষ্ট্র ও ব্যক্তিবিশেষে একত্রে কাজ করতে হবে।
আরিফুল কাদের
শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ।












