আহলে বাইতে রাসূল (দ:) স্মরণে শাহাদাতে মাহফিল

| শুক্রবার , ২৬ জুন, ২০২৬ at ১১:৩৯ অপরাহ্ণ

গরীবে নেওয়াজ শাহানশাহে বেলায়ত হযরত শাহ সুফি আমানত খান (রহ:) দরগাহ শরীফ খানকায়ে আমানতিয়া বেলায়েতীয়া শরিফের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী আহলে বাইতে রাসূল (দ:) স্মরণে শাহাদাতে মাহফিল ফাতেহা শরবত ফাতেহা আওলাদে বাবাজান কেবলা ও সাজ্জাদানশীন শাহজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ খান মারুফ শাহ আল আমানতীর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাহফিলে বক্তব্য রাখেন শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা মুফতি ফজলুল কাবির বদরী (মজিআ), হযরত শাহ সুফি আমানত খান (রহ) জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ তবারক হোসেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন মাহবুব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মুন্সি, মোহাম্মদ আতাউল গনি রকি, টিপু চৌধুরী, মৌলানা মো. ইয়াসিন হোসেন, মোহাম্মদ আকতার হোসেনসহ আশেকে-ভক্তগণ।

বক্তারা বলেন, প্রিয় নবী করিম (দ.) ও আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা, ধর্মনিষ্ঠা, আত্মত্যাগ, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালন, মানুষের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করে ভোগে নয়, ত্যাগেই সুখের সন্ধান করা, জুলুম ও অন্যায়ের কাছে মাথানত না করে, সব সময় আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা। শোহাদায়ে কারবালা দিবস আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দেয়, আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত করে। ভয়কে জয় করে, নিজের জীবন উৎসর্গ করে মুক্তির পথ তৈরি করাই কারবালার মূল শিক্ষা।

শাহজাদা মারুফ শাহ আল-আমানতী বলেন, পার্থিব কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভের জন্য প্রিয় রাসুল (সা.)-এর আহলে বায়তের আদর্শ দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। নবী-রাসুল, আহলে বায়ত, খোলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবায়ে কেরাম ও আউলিয়ায়ে কেরামের অনুসৃত পথই মুক্তির পথ।

বাদে জুমা ফকির, এতিম, মিসকিনদের বসিয়ে তবারুক খাওয়ানো হয় এবং মুসল্লি আশেক, ভক্তদের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়েছে।

শেষে দেশ-জাতি, প্রবাসে অবস্থানরত সকল দ্বীনদার ভাই-বোনদের হাজত পূরণ ও উন্নতি চেয়ে মুনাজাত পরিচালনা করেন আওলাদেপাক শাহজাদা সৈয়দ মারুফ শাহ আল-আমানতী।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাইক দুঘটনায় যুবকের মৃত্যু
পরবর্তী নিবন্ধঅপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে আকবরশাহ্ থানা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল