একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আমি। পেশায় শিক্ষক। ভালোবাসি পড়তে ও পড়াতে। শিক্ষার্থীদের নিজ সন্তানের মতোই বড়ো ভালোবাসি। পেশাকে নেশা হিসেবে কাটিয়ে দিয়েছি ১৮বছর। দুই সন্তানের জননী আমি। পরিবার ও বিদ্যালয় আমার ভালোবাসার স্থান, আমার কম্পোট জোন। আদু আদু কথা নিমেষেই দূর হয়ে যায় মনের সব গ্ল্লানি, বেদনা। ছোটবেলা থেকেই আবৃত্তি ও উপস্থাপনার সাথে ছিলো আমার সখ্যতা। বনলতা ছিলাম, উদ্যান লতা হয়ে ওঠার সুযোগ মিলেনি কখনো। তবে অনুপ্রেরক হিসেবে সর্বদা ছিলেন আমার শ্রদ্ধেয় দাদা বাবু ও শ্রদ্ধেয় স্যারেরা। তাই আজো আমার মনের খোরাক এই দুটো জিনিস। যখনই কারো উৎসাহ পাই দুর্বার গতিতে ছুটতে মন চায়। মিলেমিশে থাকতে খুব পছন্দ করি। নানা রকম দুর্যোগেও হাল ছাড়িনা। স্রষ্টাই সহায় থাকে প্রতিনিয়ত। এই কিছুদিন আগে নৌকাটা আমার প্রায় ডুবো ডুবো। প্রার্থনা করতাম, আমি আর পারছি না। একটানা কষ্ট একবছর পেয়েছি কিন্তু স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা আজীবনের। অবশেষে মুখ তুলে দেখলেন তিনি। ঠিক ডুবে যাওয়ার আগে তুলে নিলেন। সদা চঞ্চল, হাস্যময়ী হওয়ায় কাছের মানুষ ছাড়া তেমনটা কেউ বুঝতো না। সবার একটাই কথা, আমি খুব সুখী, কতো আনন্দে বাঁচি। ঐ বাক্যগুলোই সার্থক হোক আমার জীবনে।












