আওয়ামী লীগ আমলে শিক্ষাখাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র হবে : সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

| শুক্রবার , ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ at ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শিক্ষাখাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তা যাচাই করে শ্বেতপত্র প্রণয়নের কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একইসঙ্গে বিগত সরকারের সময়ে শিক্ষায় ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা ছিল কিনা, তাও পর্যালোচনা করার কথা বলেছেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা৫ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুলের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এদিনের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়। খবর বিডিনিউজের।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০৮০৯ অর্থবছর থেকে ২০২৪২৫ অর্থবছর পর্যন্ত শিক্ষাখাতে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলো পর্যালোচনায় সরকার নীতিগতভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ওই সময়ের সম্ভাব্য অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাগুলো যাচাইবাছাই করে একটি সমন্বিত প্রতিবেদন তৈরি করা যায়। মন্ত্রী বলেন, তদন্ত ও যাচাইবাছাই শেষ হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে শ্বেতপত্র প্রণয়ন ও প্রকাশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তদন্তের পরিধি বড় হওয়ায় এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

অবসর ভাতার চাপ : রংপুর১ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডে ৮০ হাজার ৩২০টি আবেদন জমা রয়েছে। এর বিপরীতে প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ ৯ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৯ হাজার ৮২০টি আবেদন এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এ জন্য প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, চলতি ২০২৫২৬ অর্থবছরে প্রায় ২০ হাজার ৫০০টি আবেদন নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ খাতে ২ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৬ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে আরও প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ জন শিক্ষককর্মচারীকে ভাতা দেওয়া সম্ভব হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমেরিন ড্রাইভে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কা, পর্যটক নিহত
পরবর্তী নিবন্ধপ্রাকৃতিক বনাঞ্চল উজাড়ে ব্যস্ত সিন্ডিকেট