৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার

নেপালে বন্যা-ভূমিধস

| শনিবার , ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ার ৯দিন পর একটি সুড়ঙ্গ থেকে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই শ্রমিককে গতকাল শুক্রবার জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তারা সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে ছিলেন বলে দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। খবর বাসসের।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকারীরা কাদামাটিতে ভরা একটি সুড়ঙ্গের মুখ থেকে এক শ্রমিককে বের করে আনছেন। পরে তাকে দাঁড়াতে সাহায্য করেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্য একটি ছবিতে দেখা যায়, দ্বিতীয় শ্রমিকের শরীর কাদায় মাখামাখি। উদ্ধারকারীরা তাকে কমলা রঙের একটি স্ট্রেচারে করে বাইরে নিয়ে আসছেন। এ সময় তার দুই হাত প্রার্থনার ভঙ্গিতে জোড় করে ছিল। উদ্ধার হওয়া দুই শ্রমিক হলেন৩০ বছর বয়সী সঞ্জয় শাহ, তিনি যান্ত্রিক ফোরম্যান হিসেবে কাজ করতেন এবং ৪৫ বছর বয়সী কবির মহার্জন, যিনি যান্ত্রিক সুপারভাইজার ছিলেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। কবির মহার্জনের ভাই আমির মহার্জন এএফপিকে বলেন, ‘আমি খুবই আনন্দিত। মনে হচ্ছে আমার বুকটা হালকা হয়ে গেছে।’ গত ২৬ আগস্ট ওই এলাকায় কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল ঢল নেমে আসার পর থেকে নিখোঁজ থাকা কয়েকশ জলবিদ্যুৎকর্মীর মধ্যে এই দুজনও ছিলেন। জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ জানান, ত্রিশুলি৩ এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে প্রথমে একজনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুরুং এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা এইমাত্র খবর পেয়েছি যে আরও একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’ এর আগে নেপাল সরকার জানিয়েছিল, বিভিন্ন সুড়ঙ্গের ভেতরে শতাধিক শ্রমিক জীবিত থাকতে পারেন বলে তারা ধারণা করছে। ত্রিশুলি৩এসহ অন্যান্য স্থানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমালয়েশিয়ার মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পাবেন কেবল ৩১ দেশের নাগরিকরা
পরবর্তী নিবন্ধবাংলাদেশ সংলগ্ন চিকেনস নেকের নিরাপত্তায় ভারতের নতুন উদ্যোগ