শুদ্ধাচার

রাজিউর রহমান বিতান | বুধবার , ২৯ জুলাই, ২০২৬ at ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ

মানব জীবনের সর্বোচ্চ ঐশ্বর্য ও সৌন্দর্য হলো শুদ্ধাচার। যাপিত জীবনের সেই শুদ্ধাচার অর্জনের অভিপ্রায়ে কেউ হয়েছেন আল্লাহর অলি, কেউ দরবেশ, কেউবা সাধু সন্ন্যাসী, কেউ আবার জ্ঞানপিপাসু দার্শনিক! সবকিছুর মূলে রয়েছে স্রষ্টা ও সৃষ্টি!

সৃষ্টির রহস্য, জন্মমৃত্যুর লক্ষ্যউদ্দেশ্য এবং জীবনের গন্তব্য সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের উন্মোচন ও তার প্রভাব! যারা শুধু জগতে আসলাম দেখলাম আর একটা সময়ব্যাপী জীবন যাপন করলাম তারপর একদিন ঠুস করে মরে গেলাম এই পন্থাকে সত্যজ্ঞান করেন তাদের কাছে জীবনের গল্পটা গতানুগতিক সাধারণ! অপরদিকে কিছু মানুষ আছেন যাদের কাছে জীবন মানে গভীর দর্শন!

কেবল একটি মাতৃগর্ভের ভ্রুণ থেকে পরিপূর্ণ মানুষ আকৃতি লাভ এবং মৃত্যু নামক একটি অনিবার্য পরিণতির কাছে আত্মসমর্পণই শেষ কথা নয়..! বরং জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি আমাদের যাপিত জীবনের আদ্যপান্ত গভীরভাবে অনুধাবনেই নিহিত আছে সার্থকতা।

সত্য চিন্তা ও উপলব্ধির ফলশ্রুতি স্বরূপ হিতাহিতজ্ঞান অর্জনে ব্রতী হওয়া। এই হিতাহিত জ্ঞান আহরণের চূড়ান্ত ফলাফলই শুদ্ধাচারের খোঁজ পাওয়ার অন্য নাম! আর এই শুদ্ধাচারের অন্যতম অনুসঙ্গ হলো সততা, ন্যায়পরায়ণতা, মনুষ্যত্ব এবং মানবপ্রেম। স্রষ্টা কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন থেকে তার যথাযথ প্রয়োগে আন্তরিকভাবে ব্রতী হওয়াই শুদ্ধাচার।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে পদক্ষেপ নিন
পরবর্তী নিবন্ধগুরুশিষ্য সম্পর্কের অবক্ষয় ও শিক্ষা বাণিজ্য