বেকারত্ব দূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ চাই

| মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের মতো সীমিত সম্পদের দেশে একটি শিশুর জন্ম থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের ডিগ্রি অর্জন পর্যন্ত পিতামাতাকে সন্তানের পেছনে অপরিসীম ত্যাগের পাশাপাশি পরিবারকে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হয়। এক সময় পিতামাতার আয়ের উৎস ক্রমান্বয়ে বন্ধ হলে পরে সন্তানের উপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, উচ্চশিক্ষিতদের একটি বড় অংশ কর্মসংস্থানের অভাবে বেকার হয়ে পড়ে আছে। বেকার হয়ে পড়ার ফলে একদিকে যেমন নিজে হতাশায় ডুবে পড়ে, অন্যদিকে সে তার পরিবার ও দেশের বোঝা হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

মানসম্পন্ন গবেষণার অভাবে বেকারের প্রকৃত সংখ্যা এখনো অজানাই রয়ে গেছে। তবে, ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের ‘ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের’ (ইআইইউ) প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের ৪৭ শতাংশ শিক্ষিত বেকার রয়েছে। বেকারত্ব ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবন নিয়ে দুশ্চিন্তা তরুণ–তরুণীদের ভেতরে পরোক্ষভাবে আত্মহত্যাসহ অসংখ্য অপরাধ প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। বেকারত্ব নিরসনে সরকারকে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কর্মমুখী শিক্ষার সমপ্রসারণ ও কারিগরি শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভের পরে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে যেন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কিংবা উদ্যোক্তা হতে পারে, সে রকম কারিকুলাম তৈরি করলে অনেকাংশে বেকারত্ব দূরীকরণ সম্ভব হবে।

মোঃ রাশেদুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশরৎকালের সাজে প্রাকৃতিক রানি
পরবর্তী নিবন্ধঐতিহ্যের চট্টগ্রামে সাহিত্যের শেকড় ও শাখাপ্রশাখা