বারইয়ারহাট হতে চট্টগ্রাম সড়কে চলাচলকারী ‘সাধারণ যাত্রী পরিবহন‘ চয়েস বাস শুরুতে ভাড়া আদায় করতো ৬০ টাকা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে পরিবহন ব্যবসায়ীরা ভাড়া বাড়াতে থাকলে, চয়েস বাসের কর্তৃপক্ষও নির্বিচারে ‘ভাড়া বৃদ্ধির তলোয়ার‘ ঝুলিয়ে দেয় যাত্রীদের মাথার ওপর। নিরিহ যাত্রীদের প্রতি যা স্পষ্টতই অবিচার এবং জুলুম ছাড়া কিছুই নয়। ৬০ টাকার ভাড়া এখন ঠেকেছে গিয়ে ১৫০ টাকায়। বিলাসবহুল চেয়ার কোচ হলেও, এই পরিমাণটা যেখানে বেশিই হয়, সেখানে পুরনো গাড়িকে রঙ করে নতুন বানানো ছোটো এবং অপ্রশস্ত আসনের ধূলা–ময়লায় ভরপুর এ গাড়িগুলোর ভাড়া সর্বোচ্চ ১০০টাকা রাখাই যৌক্তিক। একই সড়কে চলাচলকারী ‘উত্তরা‘ বাসের চাইতে চয়েস কোনোভাবেই মানসম্মত বলা যাবে না। কেননা চয়েসও লোকাল বাসের মতো প্রতিনিয়ত যাত্রী ওঠানামা করায় যত্রতত্র! চট্টগ্রাম হতে ঢাকা সড়কে চলাচলকারী ‘সিডিএম‘ বাসগুলো তুলনামূলক আধুনিক এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন হবার পরও, এই গাড়িগুলো যেখানে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় অনায়াসে যাত্রী পরিবহন করছে, সেখানে চয়েসের ভাড়া ‘একদাম ১৫০ টাকা!’ ফলে একেবারে বাধ্য হওয়া ছাড়া কেউ এখন চয়েস বাসে যাতায়াত করে না।
বারইয়ারহাট হতে চট্টগ্রাম, বারইয়ারহাট হতে ঢাকা মানসম্মত যাত্রী পরিবহন থাকা খুবই দরকার। তবে তা হতে হবে সুন্দর, স্বাচ্ছন্দ্যময়, সহজসাধ্য, সার্থক। এই কথাগুলো ঠাণ্ডা মাথায় বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন আশা রাখি।
মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ্
বারইয়ারহাট,
মীরসরাই, চট্টগ্রাম–৪৩২৬।












