ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় সরব হয়েছেন তার সহশিল্পীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন তারা। ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতের হওয়ার কথা জানিয়েছেন বাঁধন। বাংলাদেশ সময় সোমবার রাতে ভেনিস শহরের মেস্ত্রে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে ফেইবুকে লাইভে আসেন বাঁধন। হামলার ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তুলে ধরেন।
বাঁধনের সেই ফেসবুক লাইভ শেয়ার করে নির্মাতা আশফাক নিপুন লিখেছেন, এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও লজ্জাজনক ঘটনা। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমার প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া একজন শিল্পীর ওপর হামলা সত্যিই বর্বরোচিত ও দুঃখজনক। এমন ঘটনায় শিল্পীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আশা করি, তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা পাবেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হবে।
অভিনেত্রী পরীমনি লিখেন, বেশি কিছু না। কতগুলা কু*ত্তার বাচ্চা রাস্তায় ঘেউ ঘেউ করছে। এদের কাছে মানুষের বাচ্চার কান্না কিছুই ম্যাটার করে না। করেও নাই। খবর বিডিনিউজের।
অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ ফেসবুকে লিখেছেন, এই দেশে শিল্পী হওয়াটাও পাপের। কারণ শিল্পীরাই দেখি সবচেয়ে বড় রাজনীতিবিদ হিসেবে কথা বলছেন। কোনো শিল্পীর ওপর হামলাই কাম্য নয়। সেটা ৩২ নম্বরে হোক আর ইতালির ভেনিসেই হোক।
বাঁধনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় মর্মাহত হওয়ার কথা বলছেন অভিনেত্রী সাফা কবিরও। তিনি লিখেছেন, আমি মর্মাহত, ক্ষুব্ধ এবং লজ্জিত। আজমেরী হক বাঁধন আপু ও তার পরিবারকে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো শিল্পীরই এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া উচিত নয়। একজন শিল্পী যখন দেশের বাইরে একটি চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের চলচ্চিত্র ও নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে যান, তখন তার প্রাপ্য হওয়া উচিত সম্মান ও নিরাপত্তা। অপমান, হয়রানি বা আতঙ্ক নয়।
বাঁধনকে হেনস্তা ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনায় দেশটিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।











