ফ্রোবেল একাডেমিতে জলবায়ু পরিবর্তন ভিত্তিক চিত্র প্রদর্শনী ও স্টিমস ডে উদযাপন

আজাদী প্রতিবেদন | সোমবার , ১৮ মে, ২০২৬ at ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ

ফ্রোবেল একাডেমি জলবায়ু শিক্ষা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের প্রতি তাদের বছরব্যাপী অঙ্গীকার উদযাপন করেছে। গতকাল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি বর্ণাঢ্য চিত্র প্রদর্শনী এবং চমৎকার ‘স্টিমস ডে’ প্রেজেন্টেশনের মধ্য দিয়ে বিশেষ এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। ২০২৫২০২৬ শিক্ষাবর্ষ জুড়ে ফ্রোবেল একাডেমির শিক্ষাক্রম, শিল্পকলা এবং প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষার মূল প্রতিপাদ্যই ছিল পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন সচেতনতা। শিক্ষার্থীদের পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং একটি সবুজ ভবিষ্যতের জন্য উদ্ভাবনী সমাধান অনুসন্ধানে উৎসাহিত করা হয়। চিত্র প্রদর্শনী শিক্ষার্থীদের তৈরি জলবায়ু কেন্দ্রিক বিভিন্ন শিল্পকর্ম, গবেষণার অর্জন ও ইনস্টলেশন প্রদর্শন করা হয়। অন্যদিকে, স্টিমস প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা, গণিত এবং ক্রীড়া এই বিষয়গুলোর সমন্বিত ও বহুমুখী শিক্ষণ প্রক্রিয়াকে ফুটিয়ে তোলা হয়। পুরো আয়োজনটিতে জাতিসংঘের পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (ঝউএং) সাথে গভীর সামঞ্জস্য রেখে প্রতিটি প্রজেক্ট ও প্রদর্শনীতে স্থায়িত্বশীলতার বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল মো. ইকবাল হোসেন, সারা অ্যাকুয়া সলিমউশনসএর কনসালট্যান্ট ও অপারেশনস লিড ইঞ্জিনিয়ার আবু রাসেল চৌধুরী, ফুলকির অধ্যক্ষ ও পরিচালক শিলা মোমেন ও ফুলকির সাথে যুক্ত বিশিষ্ট কবি ও লেখক আবুল মোমেন। এই আয়োজনটি পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধ, সৃজনশীল এবং বিশ্ব নাগরিক হিসেবে ভবিষ্যাতের নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ফ্রোবেল একাডেমির দৃঢ় অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে বলে জানিয়েছেন ফ্রোবেল একাডেমি কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ফ্রোবেল একাডেমি চট্টগ্রামের একমাত্র অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল যেখানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পাশাপাশি সব ধরনের শিক্ষার্থী সমান সুযোগে শিক্ষালাভ করে থাকে। ‘প্রতিটি শিশুই গুরুত্বপূর্ণ’এই মূলমন্ত্রে বিশ্বাসী ফ্রোবেল একাডেমি সমন্বিত ও সর্বাঙ্গীণ শিক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। এই উদ্যোগটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন পরিচালক ও অধ্যক্ষ হাওরা (তেহসিন) জোহাইর। শুরু থেকেই সমগ্র স্কুল একাত্মতা ও দৃঢ় লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে আসেবিশেষ করে শিক্ষক দলের উদ্দীপনা এবং দূরদর্শী সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের পরিবেশকেন্দ্রিক গবেষণায় উৎসাহিত করেছে এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ প্রকল্প গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। এই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার মূলে ছিল আর্ট বিভাগের শিক্ষক মো. ইব্রাহিম এবং জাকির হোসেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআবারও সুচিত্রা সেন
পরবর্তী নিবন্ধএতিমদের লালন-পালন করা সর্বোত্তম কাজ