ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ, নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ২২ জন। ভূমিকম্পের পর দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বহু ভবন ধসে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনাসহ নানা স্থাপনা। খবর বাংলানিউজের।
অনেক এলাকায় ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর পরপরই ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর কিছু সতর্কতা প্রত্যাহার করা হলেও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে বিভিন্ন ভবন ধসে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। একটি ভিডিওতে জনপ্রিয় ফাস্টফুড চেইন জোলিবির একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি উপকূলীয় প্রদেশ সারাঙ্গানিতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের অনেকেই ভূমিধসে প্রাণ হারিয়েছেন।
ভূমিকম্পের কারণে প্রদেশটিতে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেও পরে তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের সবচেয়ে কাছের শহর জেনারেল সান্তোসে নিহত হয়েছেন আরও ১০ জন। এছাড়া সাউথ কোটাবাতো ও সুলতান কুদারাত প্রদেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা স্থানীয় প্রশাসনের পাঠানো তথ্য যাচাই করে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করবে। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্নিনান্দ মার্কোস জুনিয়র বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য সরকারি সংস্থাগুলো কাজ করছে।












