বিশ্বকাপ ফুটবলে ম্যাচ পরিচালনার স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ফিরতে হয়েছিল সোমালিয়ার রেফারি ওমার আরতানকে। মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তার ভিসা ও পাসপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।পরবর্তীতে তাকে তুরস্কে ফেরত পাঠানো হয়। মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার’ অভিযোগে তাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তবে এমন অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন ৩৫ বছর বয়সী এই রেফারি। আরতান বলেন, ‘আমার কাছে সব বৈধ কাগজপত্র ও ভিসা ছিল। আমি কেবল একজন রেফারি, যে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্নপূরণে বিশ্বকাপে এসেছিলাম।’ এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে তাকে সহায়তা করেছেন ফিফা কর্মকর্তারা। যদিও তিনি এবারের বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন না, তবুও ফিফা তাকে টুর্নামেন্টের পূর্ণ সম্মানী প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ২০২৫ সালে বর্ষসেরা আফ্রিকান রেফারি নির্বাচিত হওয়া আরতানের গত বছরটি ছিল সাফল্যের। তিনি প্রথম সোমালিয়ান হিসেবে মহাদেশীয় কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া চিলিতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব–২০ বিশ্বকাপেও তিনি তিনটি ম্যাচে রেফারি ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ না পেলেও ক্যারিয়ারে থেমে থাকছেন না আরতান। এরমধ্যেই তাকে আগামী ১২ আগস্ট সালজবার্গে অনুষ্ঠিতব্য উয়েফা সুপার কাপের ম্যাচ পরিচালনার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নিজের দেশ সোমালিয়ায় উষ্ণ সংবর্ধনা পাওয়া এই রেফারি জানিয়েছেন, সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে আবারও ফিরে আসাই এখন তার নতুন লক্ষ্য।












