ফটিকছড়িতে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা বখতেয়ার সাইদ ইরানসহ ২০ জন নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০/৪০ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর ফটিকছড়ি থানায় মামলাটি রুজু করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন–সাবেক এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সাবরিনা চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা বখতেয়ার সাইদ ইরান, ছাত্রলীগ নেতা আরিফ পাশা, ছোটন সুলতান, মো. জুয়েল, ইসতিয়াক আহমেদ ইবু, রেজাউল করিম রাজু, তানিম, আবদুর রহিম জিহান, তামিম, সাইফুল ইসলাম, তাসিন, ফাহাদ আলম, মারুফ মির্জা, সৌরভ মির্জা, সাজিদ, তানভীর, মেজবাহ ও শওকত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফটিকছড়ির পাইন্দং আমতল এলাকায় চট্টগ্রাম–খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান এবং সংগঠন সমর্থিত মিছিল ও সমাবেশের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা তাদের হাতে থাকা বাঁশের লাঠি, কাঠের বাটাম ও ইটপাটকেল ফেলে দিক–বিদিক পালিয়ে যান।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলার ১ নম্বর আসামি খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ও ৩ নম্বর আসামি বখতেয়ার সাইদ ইরানের নির্দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সমর্থনে এই সভা ও মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। আসামিরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতে এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করার লক্ষ্যে জড়ো হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল আলম খান বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যানারে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। এজাহারনামীয় আসামিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’













