মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মৎস্য চাষীদের ক্ষতি পুষাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার। দেশের অগ্রগতিতে প্রান্তিক খামারিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন খামারি শুধু নিজের পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়নই করেন না, তিনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাই সরকার সবসময় খামারিবান্ধব নীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও আধুনিক, উৎপাদনমুখী ও টেকসই করে গড়ে তুলতে সরকারের সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের সক্ষমতা বাড়ানো, প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।
গতকাল সোমবার দক্ষিণ পটিয়ার এ কে ইউনাইটেড হ্যাচারি অ্যান্ড ফিশারি এবং সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী খামারের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে উৎপাদন, বীজ সংরক্ষণ, মাছের পোনা উৎপাদন, প্রযুক্তি ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ সমপ্রসারণ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। তিনি খামারের উৎপাদন সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মানসম্মত মৎস্য বীজ উৎপাদনে গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ, সিনিয়ন সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হক, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক, ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ–সভাপতি শাহজাহান জুয়েল, সহ–সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিয়া প্রমুখ।










