নগরে ৩৯ কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের স্বস্তি নিশ্চিতে বিএনপির বিশেষ ব্যবস্থা

এসএসসি পরীক্ষা

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ২১ এপ্রিল, ২০২৬ at ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ

এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষায় থাকবেন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আসা অভিভাবকরা। তীব্র গরমে এ অপেক্ষায় কিছুটা অস্বস্তি হবে তাদের। সেটা বিবেচনায় নিয়ে ভিন্ন এক উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। নগরের ৩৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের জন্য শামিয়ানাসহ বসার ব্যবস্থা করছে বিএনপি। সেখানে পরিবেশবান্ধব হাতপাখা ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে।

বিষয়টি আজাদীকে নিশ্চিত করে নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, শহরে মোট পরীক্ষা কেন্দ্র আছে ৩৯টি; প্রতিটিতেই মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে বসার ব্যবস্থা করছি। সেখানে খাবার পানি সরবরাহ করব। ওয়াশরুম সুবিধারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সকল কেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির লক্ষ্যে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত শক্তিশালী মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে, যা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এদিকে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছে নগর বিএনপি। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান যৌথ বিবৃতিতে এ শুভেচ্ছা জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ ও দেশের অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের মেধা, অধ্যবসায় ও সৃজনশীলতার বিকাশের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, প্রগতিশীল ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব। তাই পরীক্ষার্থীদের মানসিকভাবে দৃঢ় থেকে সুসংগঠিত প্রস্তুতি গ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, সন্তানদের প্রতি সহমর্মিতা, মানসিক সমর্থন ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অপ্রয়োজনীয় চাপ পরিহার করে তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।

বিবৃতিতে পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ট্রাফিক বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করা হয়; যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন বা ভোগান্তি ছাড়াই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে পরীক্ষার্থীরা তাদের মেধার সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাবে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমজবুত হোক তারুণ্যের অহংকার
পরবর্তী নিবন্ধপেকুয়ায় স্লুইচগেট ভেঙে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত লবণ মাঠ