পেকুয়ায় স্লুইচগেট ভেঙে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত লবণ মাঠ

পেকুয়া প্রতিনিধি | মঙ্গলবার , ২১ এপ্রিল, ২০২৬ at ১০:২০ পূর্বাহ্ণ

পেকুয়ায় স্লুইচগেট ভেঙে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে শত একর লবণ উৎপাদনের মাঠ। লবণ উৎপাদনের ভরা মৌসুমে চাষিরা ব্যাপক ক্ষতির হচ্ছে। স্লুইসগেইটটি একাধিক বার মেরামত করা হলেও কোন সুফল পাচ্ছেনা স্থানীয়রা। মেরামত কাজ টেকসই না হওয়ায় বার বার একই জায়গায় ভাঙনের ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কায় উজানটিয়ার ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষ। এতে লবণ চাষ ব্যাহত হয়ে মৌসুমের শেষ সময়ে বিপাকে পড়েছেন কয়েক হাজার লবণ চাষি। উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের সোনালী বাজার এলাকায় স্লুইসগেইটটি ফের ভেঙে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেউ। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা জানান, জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বেড়ে গেলে প্রবল চাপে জরাজীর্ণ স্লুইসগেইটটি ভেঙে যায়। এরপর প্রবল স্রোতে লোনা পানি ঢুকে লবণের মাঠ প্লাবিত হয়। চাষিরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাঠে স্তূপ করে রাখা শত শত মণ লবণ পানিতে তলিয়ে যায়। এতে কয়েক হাজার প্রান্তিক চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, স্লুইসগেইট ভাঙনের কারণে উৎপাদিত লবণের স্তূপ জোয়ারের পানিতে মিশে গেছে। মাঠ প্লাবিত থাকায় নতুন করে উৎপাদন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেইটটি জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকলেও একাধিক বার সংস্কার করা হলেও টেকসই না হওয়ায় কোন সুফল পায়নি। উদ্যোগ নেওয়া হয়নি,যার খেসারত দিতে হচ্ছে চাষিদের। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী বলেন, স্লুইসগেইট ভেঙে চাষিদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলা ও বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা চলছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনগরে ৩৯ কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের স্বস্তি নিশ্চিতে বিএনপির বিশেষ ব্যবস্থা
পরবর্তী নিবন্ধশনিবার থেকে কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ