টোকিও’র প্রচণ্ড গরমের এক দিনে কাওরু মোরিমোতো বন্ধুদের বলেছিলেন, তার এলাকায় আরেকটি গ্রীষ্ম তিনি সহ্য করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দিহান। কারণ, এলাকায় গাছের সংখ্যা কমছে। সেই সঙ্গে কমছে গাছের দেওয়া প্রয়োজনীয় ছায়াও। জাপানে চরম গরমের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। খবর বিডিনিউজের।
কিন্তু বিশ্বের অনেক বড় রাজধানীতে যেখানে গাছের আচ্ছাদন বাড়ছে, টোকিওতে সেখানে তা কমছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন চান মোরিমোতো। গত বছর তিনি কর্মকর্তাদের গাছের আচ্ছাদনের একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের দাবিতে প্রচার শুরু করেন। তৃণমূল পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ বিরল। মোরিমোতো এএফপিকে বলেন, সবাই বলছে, গ্রীষ্ম আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। কিন্তু টোকিওতে গাছের আচ্ছাদন কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মানুষের সচেতনতা খুবই কম। পশ্চিম টোকিওর নাকানো এলাকার আরেক বাসিন্দা সুসুমু নিরাসাওয়ার সঙ্গে মিলে ৬৬ বছর বয়সী মোরিমোতো বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাপমাত্রার তথ্য প্রকাশ করেন। স্থানীয় কাউন্সিলের বৈঠকেও অংশ নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে দাবি তুলে ধরেন।
এ উদ্যোগে এলাকার আরও প্রায় ৩০ জন যুক্ত হয়েছেন। ৭১ বছর বয়সী নিরাসাওয়া বলেন, আমরা চাই ওয়ার্ড সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিক। জাপানে ২০২৫ সালে রেকর্ড পরিমাণ উষ্ণ গ্রীষ্ম দেখা গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়েই উষ্ণ দিনের সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত জাপানে তাপজনিত কারণে প্রায় ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ৭৩ হাজারের বেশি মানুষকে জরুরি চিকিৎসা নিতে হয়েছে।












