জুম্‌’আর খুতবা

কুরআন ও হাদিসের আলোকে গীবত, গুজব সৃষ্টি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার : ডিজিটাল জীবনের ইসলামি নীতিমালা

অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভি | শুক্রবার , ৬ নভেম্বর, ২০২৬ at ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ

আলকুরআনের দৃষ্টিতে গীবত: গীবত একটি জঘন্য অপরাধ যা মানুষের ইবাদত ও নেক আমলসমূহ বিনষ্ট করে মানুষের জীবন কলুষিত করে যা সমাজে হিংসা বিদ্বেষ শত্রুতা ও বিরোধ সৃষ্টি করে এ নিন্দনীয় অপকর্ম কে ইসলামে কঠোর ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যেন পরস্পর গীবত না করো কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের মাংস ভক্ষণ পছন্দ করবে তোমরা তো তা ঘৃণা করো আর আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুলকারী পরম দয়ালু। (সূরা: আল হুজরাত, ৪৯:১২)

গীবতের ভয়াবহতা ও জঘন্য পরিণতির কথা বোঝানোর জন্য মহান আল্লাহ অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী দৃষ্টান্ত উপমা ব্যবহার করেছেন। মৃত ভাইয়ের মাংস ভক্ষণ করা যেমন মানুষের স্বভাবের কাছে ঘৃণিত তেমনি কোনো মুসলমানের অনুপস্থিতিতে তাঁর সম্মানহানি করাও তার ব্যাপারে গীবত ও অন্যায় সমালোচনা করা চরম নিন্দনীয় ও ঘৃণিত কাজ।

গুজব ও অসত্য সংবাদ প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: ইসলাম সত্য ধর্ম, কুরআন সত্য, রাসূল সত্য, দ্বীনের বিধান সত্য। সত্যকে গ্রহণ করা, সত্য পথে চলা, সত্যের পথে আহবান করা, সত্য প্রচারে অগ্রনী ভূমিকা পালন করা ইসলামের অন্যতম আদর্শ। পক্ষান্তরে অন্যায় অসত্য মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেওয়া ইসলামে ঘৃণিত ও নিন্দনীয় অপকর্ম। সত্য মিথ্যা যাচাই না করে যে কোনো সংবাদ প্রচার করা অপরধের শামিল। ইসলাম এ বিষয়ে সমাজ দেশ জাতির শান্তি শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে কল্যাণকর নির্দেশনা প্রদান করেছে। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, হে ঈমানদারগণ! যদি কোনো পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে তবে তোমরা তা অনুসন্ধান করো যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি করে না বসো এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হও। (সূরা: আল হুজরাত, ৪৯:৬)

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও উন্নয়নে বিশ্ব আজ আধুনিকতার শীর্ষে। এমন এক যুগে আমরা বসবাস করছি স্মার্টফোন ইন্টারনেট ফেসবুক ইউটিউব হোয়াটস অ্যাপ ও অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর এক প্রান্তের সংবাদ অন্যপ্রান্ত্রে নিমিষেই পৌঁছে যায়। কুরআন সুন্নাহর বাণী ্‌দ্বীনি আদর্শের বার্তা দ্বীনি দাওয়াত ইসলামের ঐতিহ্য বিজয় ও আনন্দের সংবাদ মূহুর্তের মধ্যে সর্বত্র পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সোসাল মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে পাশাপাশি এর অপব্যবহারের ফলে মিথ্যা সংবাদ, গীবত, গুজব, অপবাদ কারো চরিত্র হনন কাউকে অপমান অপদস্থকরণ সম্পর্কিত সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে সোসাল মিডিয়ার ভূমিকা জাতির জন্য অশনি সংকেত। সামাজিক শান্তি ঐক্য সম্প্রীতি শৃঙ্খলা পরস্পর শ্রদ্ধাবোধ বিনষ্টে যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার জাতির জন্য দুর্ভাগ্য ও অভিশাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনো কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর মিথ্যা সংবাদ কখনো কোনো সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ কখনো কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার আবার কখনো কোনো ধর্মীয় ও সামাজিক ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো অন্যায় কাজ ও গুজবের শামিল। মনে রাখতে হবে সংবাদ প্রচার করার আগে সত্যতা যাচাই করা ঈমানি দায়িত্ব।

সোসাল মিডিয়ার সংবাদ শেয়ার করা: সোসাল মিডিয়া তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যে কোনো সংবাদ দেখা মাত্র শেয়ার করা উচিত নয়। একজন মু’মিন মুসলিম দেশপ্রেমিক শান্তিকামী মানুষের উচিত হবে সত্য নির্ভরযোগ্য ও কল্যাণকর উপকারী সংবাদ প্রচার করা। মিথ্যা বলা প্রচার করা যেমন গুনাহের কাজ, মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা শেয়ার করাও সমান অপরাধ।

হাদিস শরীফে মিথ্যা সংবাদ প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা সমাজের ও দেশের মানুষ শান্তিতে ও নিরাপদে থাকুক তা পছন্দ করেনা। তারা সর্বদা নিজেরা অশান্তি সৃষ্টি করে এবং পরিবেশ পরিস্থিতি অশান্ত করতে অশান্ত রাখতে সক্রিয় থাকে। যে কোনো অপপ্রচার অপতৎপরতাকে পছন্দ করে উস্কানি দেয়, প্রচার করে শেয়ার করে। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনো তা ই প্রচার করে বেড়ায়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫)- ব্যক্তি জীবনে মিথ্যাবাদী না হয়েও যে কোনো শোনা কথার সত্যতা যাচাই না করে তা প্রচার করা সমর্থন করা মিথ্যাবাদীর মতো সমান অপরাধী।

উপহাস ও পরনিন্দা থেকে দূরে থাকা: কাউকে বিদ্রুপ করা ছোট করা অসম্মান করা কারো দুর্বলতা নিয়ে উপহাস করা হাসাহাসি করা মুমিনের চরিত্র হতে পারেনা। আল্লাহ তা’আলা আল কুরআনে ইরশাদ করেছেন, অথর্: হে ঈমানদারগণ! কোনো সম্প্রদায় যেন অন্য সম্প্রদায়কে উপহাস না করে হতে পারে তারা উপহাস কারীদের চেয়ে উত্তম। আর কোনো নারীরাও যেন অন্য নারীদের উপহাস না করে হতে পারে তারা উপহাসকারিণীদের চেয়ে উত্তম। (সূরা: আল–হুজুরাত, ১১)

মনে রাখতে হবে ইসলাম মানবতার ধর্ম। ইসলাম মানুষকে অপমান করতে নয় মানুষকে সম্মান করতে শিখিয়েছে। সুতরাং কাউকে বিনাকারণে অন্যায়ভাবে তিরস্কার করা, অসম্মান ও অপমান করা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা তার জীবন কর্ম নিয়ে উপহাস করা নৈতিকতার পরিচয় নিয়ে উপহাস করা নৈতিকতার পরিপন্থি যা সর্বদা পরিত্যাজ্য।

জিহবার পাশাপাশি আঙ্গুলেরও হেফাজত করতে হবে: বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আকাশচুম্বি উন্নতি অগ্রগতির পাশাপাশি ডিজিটাল সমাজ ব্যবস্থায় নৈতিকতার যে অবক্ষয় ও চারিত্রিক অধপতন অবনত দৃশ্যমান তার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার পারিবারিক ও সামাজিক জীবনকে আজ অস্থির ও দুর্বিষহ করে তুলেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি যার জিহবা ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে। সহিহ বুখারি, হাদিস: ১০ ও মুসলিম, হাদিস ৪০)

ডিজিটাল জীবনের ইসলামী নীতিমালা: ইসলামী ভাইয়েরা! জেনে রাখুন, স্মার্ট মোবাইল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এটি একটি যন্ত্র বিশেষ। এটি ভালো বা মন্দ মন্তব্য করা অবান্তর। এর ভাল মন্দ নির্ভর করে ব্যবহারকারীর লক্ষ্য উদ্দেশের ভিত্তিতে। এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিম্নবর্ণিত ইসলামি নীতিমালা গুলো অনুসরণ করা প্রয়োজন।

প্রথম নীতি: সংবাদ যাচাই করা, কারো অডিও ভিডিও প্রচার করার আগে এ বিষয়ের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন আয়াতে আল্লাহ কর্তৃক নির্দেশ হয়েছে, “তোমরা যাচাই করো”। (সূরা: হুজুরাত:৬)

দ্বিতীয় নীতি : মানুষের সম্মান রক্ষা করা। কারও ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা কিংবা পারিবারিক বিষয় অনুমতি ও শরয়ী কারণ ছাড়া প্রকাশ করা নিষেধ।

তৃতীয় নীতি: গীবত ও অপবাদ থেকে বেঁচে থাকা, কারো বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ অপমানজনক ও মানহানিকর মন্তব্য ও চরিত্রহনন থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।

চতুর্থনীতি: সময়ের সদ্ব্যবহার কারা। সময় আল্লাহ প্রদত্ত বড় নিয়ামত এর সঠিক মূল্যায়ন ও সদ্ব্যবহার মানুষের মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি করে। গুরুত্বপূর্ণ করণীয় দায়িত্ব অবহেলা করে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এ সব নিয়ে ব্যস্ত থাকা নামায ইবাদত বন্দেগী প্রয়োজনীয় পড়া লেখা ও দ্বীনি কর্মকান্ড অবহেলা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সময় অপচয় করা যাবেনা।

পঞ্চমনীতি: শালীনতা ও পবিত্রতা বজায় রাখা। অশ্লীল ভিডিও উলঙ্গপনা বেহায়াপনা শরীয়ত বিরোধী অনৈতিক বিনোদন ও হারাম দৃশ্য দেখা ও প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ষষ্ঠ নীতি: যুক্তি প্রমাণ ও শালীনতার সঙ্গে কথা বলতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তি স্বার্থে দলীয় স্বার্থে মতের ভিন্নতা আকিদা আদর্শের ভিন্নতার কারণে যুক্তি দলীল প্রমাণ ছাড়া আক্রমাণত্নক ভূমিকায় বক্তব্য প্রচার করা, প্রতিপক্ষকে গালমন্দ করা, কুটুক্তি করা, অশালীন শব্দ ও ভাষা ব্যবহার করা যাবেনা।

সপ্তমনীতি: নৈতিক শিক্ষামূলক দ্বীনি দাওয়াতের প্রচার করা। কুরআন সুন্নাহর আলোকে নবী রাসূল সাহাবা ও আউলিয়ায়ে কেরামের জীবন আদর্শ ও দ্বীনি আদর্শ দালিলিক ভাবে আলোচনা করতে হবে। আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেছেন, মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তার কাছে পর্যবেক্ষক (ফেরেস্তা) উপস্থিত থাকে যে তা লিপিবদ্ধ করে। (সূরা: ক্বাফ: ১৮)

আল্লাহ তা’আলা আরও ইরশাদ করেছেন, আর যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার অনুকরণ করো না। নিশ্চয়ই কান চোখ ও অন্তর এগুলোর প্রত্যেকটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। (সূরা: আল ইসরা, আয়াত: ৩৬)

আয়াত থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহর দরবারে আমাদের প্রতিটি কথা কাজ ও আচরণের হিসাব দিতে হবে। মিথ্যা অসত্য অশ্লীল ভিডিও প্রচারকারী ব্যক্তির মৃত্যুর পরও তার প্রচারিত মিথ্যা সংবাদ ও ভিডিও বছরের পর বছর মানুষের কাছে প্রচার হতে থাকবে, এ অন্যায় কাজের গুনাহের শাস্তি পরকালে তাকে ভোগ করতে হবে। আসুন আমারা আঙ্গীকার করি, আমাদের জিহ্বাকে মিথ্যা থেকে, কলমকে অপবাদ থেকে, অন্তরকে হিংসা ও মন্দ ধারণা থেকে, মোবাইল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সকল প্রকার অপপ্রচার ও অশ্লীলতা থেকে মুক্ত রাখব। মহান আল্লাহ আমাদেরকে ইসলামী জীবন গঠন করার তাওফিক দান করুন।

লেখক : অধ্যক্ষ, মাদরাসা–এ তৈয়্যবিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী);

খতীব, কদম মোবারক শাহী জামে মসজিদ।

[ইসলাম সম্পর্কিত পাঠকের প্রশ্নাবলি ও নানা জিজ্ঞাসার জবাব দিচ্ছেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভি। আগ্রহীদের বিভাগের নাম উল্লেখ করে নিচের ইমেলে প্রশ্ন পাঠাতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

Email : azadieditorial@gmail.com]

মুহাম্মদ আবুদল কাইয়ুম

কেবি আমান আলী রোড, চকবাজার, চট্টগ্রাম।

প্রশ্ন: কোনো ব্যক্তি মাগরিবের জামাতে নামাজে ইমামের সঙ্গে শুধু শেষ রাকাত পেয়েছেন ইমামের সালাম ফিরানোর পর তাঁর ছুটি যাওয়া দুই রাকাত কীভাবে আদায় করবেন। শরয়ী বিধান জানালে কৃতার্থ হব।

উত্তর: এক বা একাধিক রাকাত হয়ে যাওয়ার পর যিনি ইমামের সাথে নামাযে শামিল হন এমন মুক্তাদিকে মাসবুক বলা হয়। প্রশ্নোক্ত ব্যক্তি ইমামের এক রাকাত আদায় করেছেন এবং তাঁর দুই রাকাত ছুটে গেছে নিম্ন বর্ণিত নিয়ম অনুসরণ করে ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পর মাসবুক দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট দুই রাকাত আদায় করবেন। তার ছুটে যাওয়া দুই রাকাতই কিরাতের দিক থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় রাকাত হিসেবে গণ্য হবে। ইমাম সাহেব সালাম ফেরানো শেষ করলে তিনি দাঁড়িয়ে যাবেন প্রথম রাকাতে সূরা ফাতেহার সঙ্গে একটি সূরা পড়বেন প্রথম রাকাত শেষে বৈঠকে বসে আত্তাহিয়াতু পাঠ করবেন অত:পর দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে সূরা ফাতেহা ও অন্য একটি সূরা মিলিয়ে পড়বেন। দ্বিতীয় রাকাত শেষে বসে আত্তাহিয়াতু দরুদ শরীফ ও দুআ মাসুরা পাঠ করে সালাম ফেরাবেন। ফতোওয়া আলমগীরিতে মাসবুকের নামাজ আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, মাসবুক, ইমামের সালামের পর তার ছুটে যাওয়া নামায আদায় করবেন। এতে আরও উল্লেখ হয়েছে, মাসবুক যে অংশ পরে আদায় করবেন কিরাতের হিসেবে তা নামাজের প্রথম অংশ হিসেবে গণ্য হবে। (ফতোয়া আলমগীরি, খন্ড:১, পৃ: ৯১–১০২, ফতোয়া শামী, খন্ড:২, পৃ: ৩৪৫, ফতোয়া রযভিয়্যা, কিতাবুস সালাত অধ্যায়)

পূর্ববর্তী নিবন্ধশৈশবের ভ্রমণ, ভবিষ্যতের পর্যটন : ভ্রমণে গড়ে উঠুক সচেতন, মানবিক ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম
পরবর্তী নিবন্ধমির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর