চট্টগ্রামে এতবেশি ছিনতাই বেড়ে গেছে সাধারণ পথচারী হতে অফিস আদালতের চাকুরীজীবী এমনকি ছাত্রছাত্রীরাও রেহাই পাচ্ছে না। কদমতলী হতে জিপিও পর্যন্ত কয়েকটা গ্রুপে ভাগ হয়ে এক একটা গ্রুপে ৫/৬ জন মিলে ছিনতাই করে থাকে।
তবে চট্টগ্রাম শহরে অন্য জায়গায় ছিনতাই হয় না তা বলবো না, কিন্তু এই এলাকায় অতিরিক্ত ছিনতাই বেড়ে গেছে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে মানুষের কাছে টাকা পয়সা বেশি না থাকলেও সাথে কিন্তু মোবাইল একটা তো থাকে। তাই ছিনতাইকারীর টার্গেট থাকে বেশি মোবাইলের দিকে। তাই বিশেষ করে মোবাইল ছিনতাইয়ের দৌরাত্ম্য এতবেশি বেড়ে গেছে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। এই এলাকায় হেঁটে যেতে প্রয়োজনীয় ফোন আসলে কথা বলতে গেলে হাত থেকে ঝাপটা মেরে মোবাইল নিয়ে যাবে। বা গাড়িতে বসে কথা বলতে গেলে কানে হাত থাকবে কিন্তু মোবাইল থাকবে না। আর লোকাল গাড়িতে ৫/৬ জন গ্রুপ বেঁধে উঠে ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কি করে গাড়ির যাত্রীর পকেট হতে মোবাইল ছিনতাই করে একজন আরেকজনকে পাস করে দেয়। যাতে ছিনতাইকারীকে ধরলেও তার কাছে মোবাইল পাওয়া না যায়। আবার গাড়ির ভিতরে কেউ মোবাইলে কথা বললে বা মেসেজ করলে সুযোগ বুঝে ঝাপটা মেড়ে মোবাইল নিয়ে চলতি গাড়ি হতে নেমে যায়। কোন কারণে মোবাইল ছিনতাইকারী যদি কোন মানুষের কাছে ধরা পড়ে, তাহলে ছিনতাইকারী গ্রুপের সদস্যরা একত্রিত হয়ে মোবাইলের মালিককে উত্তম মাধ্যম দিয়ে চোর সাজিয়ে তুলে। ঐ এলাকায় ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ অসহায়। এই এলাকায় ছিনতাইকারীরা এত কিছু ছিনতাই করে, কিন্তু তাদেরকে দমিয়ে রাখতে বা শাসন করার কেউ নেই? প্রশাসন যেন কিছুই জানে না বা দেখে না। প্রশাসন চাইলে ঐ এলাকা ছিনতাই মুক্ত রাখতে পারে। কিন্তু কেউ যেন দেখার নেই।












