জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

প্রতিটি শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে : মেয়র

| সোমবার , ২৯ জুন, ২০২৬ at ৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন২০২৬ উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে গতকাল শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ও জেলার ১৫টি উপজেলায় একযোগে এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। সকালে নগরীর একটি কেন্দ্রে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রের বরাতে বাসস জানায়, চট্টগ্রাম জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯৬ হাজার ৭৯ জন শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৯০ জন শিশুসহ মোট ৮ লাখ ৪২ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯২ হাজার শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৭০ হাজার শিশুসহ মোট ৫ লাখ ৬২ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নগরীতে জেনারেল হাসপাতালে একটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা। তিনি জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য, গুরুত্ব এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবার আমাদের লক্ষ্য শতভাগ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো। কোনো শিশু যেন এই কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যেই চসিক সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মেয়র। তিনি জানান, চলতি বছরে চট্টগ্রাম নগরীতে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি নগরবাসীকে বাসাবাড়ি, ছাদ, টব, এসির ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন, টায়ার ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসরগরম কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, ইলিশ আসছে কম
পরবর্তী নিবন্ধশুরু হলেও শেষ হয়নি রাউলী ব্রিজের কাজ