উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। বন্দর দিবস–২০২৬ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিবসের শুরুতে ২৫ এপ্রিল রাত ১২টা ১ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থানরত সব জলযান ও জাহাজ থেকে একযোগে এক মিনিট হুইসেল বাজানো হয়। একই সঙ্গে বন্দরের মসজিদ ও মন্দিরে প্রয়াত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশ ও বন্দরের শান্তি–সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে রোগীদের জন্য বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি বন্দরের স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বন্দরের কার্যক্রম নিয়ে ভিডিও প্রদর্শন এবং নবনির্মিত ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবনের স্ক্রিনে দিনব্যাপী তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বন্দর এলাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার–ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়।
প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় দিবসটি উপলক্ষে বন্দর ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন চবকের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান। এ সময় বন্দরের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন), সদস্য (অর্থ), সদস্য (প্রকৌশল), সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা), মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের পরিচালক এবং বে টার্মিনাল প্রকল্পের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পতাকা উত্তোলন শেষে চেয়ারম্যান কর্মকর্তা–কর্মচারী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বন্দর দিবসের কেক কাটেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বন্দর দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।














