গ্যাস–বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাহত, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের কিস্তি ও শ্রমিক–কর্মচারীদের বেতন–ভাতা পরিশোধে বাড়তি চাপ এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অতিরিক্ত জরিমানার কারণে সুইটস, বেকারি ও রেস্টুরেন্ট শিল্প কঠিন সময় পার করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। শিল্প ও ব্যবসা রক্ষায় বাস্তবমুখী ও ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে সুইটস–বেকারি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট ওনার্স এসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম–চট্টগ্রাম চেম্বারের পক্ষ সভাপতির নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে বলা হয়, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। উৎপাদন কমে গেলেও শ্রমিক–কর্মচারীদের বেতন–ভাতা, ব্যাংক ঋণের কিস্তি, বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় অব্যাহত রয়েছে। ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক চাপের মধ্যে পড়েছে। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, তারা নিরাপদ খাদ্য ও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে একই সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখতে বাস্তবমুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। ‘নিরাপদ খাদ্য চাই–শিল্পও বাঁচাতে চাই। ব্যবসা বাঁচলে কর্মসংস্থান বাঁচবে, রাজস্ব বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।’ স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি আমিনুল হক, পরিচালক. মো, আসাদ ইফতেখার, মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার, সুইটস ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ্ কোরেশী, এম কফিলউদ্দিন, বেকারি মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে এম মামুন রাজা, আশীষ চৌধুরী, রেস্টুরেন্ট ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন নওশাদ, মনজুরল আলম, এসোসিয়েশনের সচিব এম এ সবুর, আমানুল আলম ও সংগঠনের উপদেষ্টা নুরুল আলম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











