গাউসুল আজম (রা.) শরীয়ত ও তরীকতের সমন্বয়ে আধ্যাত্মিক বিপ্লব সাধন করেছেন

আনজুমান ট্রাস্টের পবিত্র ফাতেহা ইয়াজদহম মাহফিলে বক্তারা

| বুধবার , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ

ষোলশহরস্থ ঐতিহ্যবাহী আলমগীর খানকাহ্‌কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়ায় পীরানে পীর দস্তগীর হযরত শেখ সুলতান মীর মহিউদ্দিন সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (রা.)-র ফাতেহা ইয়াজদহম, পবিত্র গেয়ারভী শরীফ ও মা ছাহেবান (রহ.)-র ফাতেহা শরীফ গতকাল মঙ্গলবার ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। আনজুমানএ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত মাহফিলে হাজারো অনেক আশেকে রাসূল ও সুফি অনুরাগী যোগ দেন।

মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন আনজুমানএ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। মোহাম্মদ ইলিয়াছ আলকাদেরী ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন আলকাদেরীর যৌথ পরিচালনায় মাহফিলে মূল বক্তব্য দেন, অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান এবং মুফতি কাজী আবদুল ওয়াজেদ। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন আনজুমান ট্রাস্টের অ্যাডিশনাল জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ সামশুদ্দীন, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি এস এম গিয়াস উদ্দীন (শাকের), ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মোহাম্মদ কমর উদ্দীন (সবুর), ক্যাবিনেট মেম্বার পেয়ার মোহাম্মদ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ হাফেজ কাজী আবদুল আলীম রিজভী, উপাধ্যক্ষ ড. এটিএম লিয়াকত আলী, আনজুমান সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ মাহবুব ছফা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, মুহাম্মদ মাহবুবুল হক খান, মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন মুন্না, মোহাম্মদ জহুরুল আলম, আনজুমান এডুকেশন বোর্ডের সচিব প্রফেসর আবু ছালেহ মো. নঈম উদ্দীন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গাউসুল আজম হযরত শেখ সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (রা.) ইসলামের শরীয়ত ও তরীকতের সমন্বয়ে আধ্যাত্মিক বিপ্লব সাধন করেছেন। তাঁর আদর্শ ও বাণীর মূল সারকথা হলো আত্মশুদ্ধি, খোদাপ্রাপ্তি এবং মানবতার কল্যাণ। হযরত গাউসুল আজম (রা.)-এর প্রবর্তিত সুফিসাধনা বিশ্বের দরবারে দ্বীনের সঠিক রূপ উন্মোচিত করেছে। আলমগীর খানকাহ্‌ শরীফ একটি বরকতময় স্থান, যার সাথে সরাসরি গাউসে পাকের আধ্যাত্মিক নেসবত যুক্ত রয়েছে। আওলাদে রাসূল, গাউছে জামান হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ.)’র শ্রদ্ধেয় মা ছাহেবান (রহ.) একজন উঁচুমাপের আল্লাহর ওলী ছিলেন। ফাতেহাইয়াজদহমের দিনে তিনিও মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দেন।

অনুষ্ঠানের কর্মসূচির মধ্যে বিকেল ৩টা থেকে খতমে কোরআন মজিদ, খতমে বুখারী শরীফ ও খতমে মজমুআহ্‌এ সালাওয়াতে রাসুল (সা.) অনুষ্ঠিত হয়। বাদ মাগরিব খতমে গাউসিয়া শরীফ, গেয়ারভী শরীফ এবং গাউসে পাক (রা.)-এর জীবন ও দর্শনের ওপর বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসাহস থাকলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশে ফিরুক, জায়গা হবে কারাগারে
পরবর্তী নিবন্ধদেশব্যাপী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ