রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শান্তিরহাট থেকে বার আউলিয়া পর্যন্ত সড়কটি ছিল জরাজীর্ণ। সড়কটি জরাজীর্ণ হওয়ায় সার্বিক দিক দিয়ে পিছিয়ে ছিল পাহাড় অধ্যুষিত বার আউলিয়া গ্রাম। তবে শান্তিরহাট থেকে মালিরহাট–চেহেরী বাজার পর্যন্ত সড়কটি বাস্তবায়ন হওয়ায় পাল্টে গেছে এসব এলাকার দৃশ্যপট। জায়গার মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি সড়কটির কারণে রাঙ্গুনিয়া থেকে রাঙ্গামাটি যাওয়ার বিকল্প মাধ্যম সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তৃর্ণ জায়গাজুড়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ বিভিন্ন পাহাড়ভিত্তিক কৃষি প্রজেক্ট সৃষ্টির অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট–মালিরহাট–চেহেরী বাজার (বার আউলিয়া সড়ক) সড়কের উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপির বিশেষ উদ্যোগে এলজিইডি‘র মাধ্যমে ৮ কোটি ২৯ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির উন্নয়ন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সড়কের শান্তিরহাট থেকে মালিরহাট বাজার ছাড়িয়ে বার আউলিয়া পর্যন্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এদিন এই সড়কের পরের অংশের কার্পেটিং কাজ করা হচ্ছিল। বাকী অংশ সম্পন্ন হলে এটি দিয়ে রাঙ্গুনিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে রাঙামাটির চেহেরী বাজার সড়কের সাথে গিয়ে মিলিত হবে।
এদিন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. দিদারুল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির আরসিআইপি প্রকল্পের চট্টগ্রামের সহকারী আবাসিক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, পোমরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. দিদারুল আলম জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সার্বিক সহায়তায় সড়কটি এলজিইডির রুরাল কানেক্টিভিটি ইমপ্রুভমেন্ট (আরআইসিপি) প্রকল্পের আওতায় ৪ কিলোমিটার ৫০ মিটার দীর্ঘ ও ১৮ ফুট প্রসস্ত করে কার্পেটিং করা হচ্ছে। এছাড়া শান্তিরহাট বাজার থেকে ১০০ মিটার সড়ক আরসিসি, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ৬১০ মিটার এল ড্রেন এবং ২৭৫ মিটার ইউ ড্রেন এবং সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় ১০টি কালভার্ট করা হয়েছে। সড়কটির উন্নয়ন কাজ অচিরেই সমাপ্ত হবে বলে জানান তিনি।













