মালয়েশিয়া,সিঙ্গাপুরের কাছে হারের পর আরো বড় ব্যবধানের হার দিয়ে আসিয়ান কাপ শেষ করলো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। গতকাল বৃহস্পতিবার গ্রুপ–এ’তে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯–২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১–০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। জাকার্তার গেলোরা বুং কর্ন স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১ মিনিটে ওলে রোমেনির পাস থেকে গোল করে ইন্দোনেশিয়াকে এগিয়ে দেন মিচেল লি বেকার। ব্যবধান দ্বিগুন করতে খুব বেশি সময় নেয়নি ইন্দোনেশিয়া। ২০ মিনিটে বাংলাদেশের গোলমুখে জটলা থেকে নিজের ও দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন বেকার। ৩২ মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করে বাংলাদেশ। রিজকি রিদোর গোলে ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। তিন গোল হজমের পর অবশেষে ৩৬ মিনিটে ব্যবধান কমায় বাংলাদেশ। শুকির ক্রস থেকে হেড দিয়ে বল ইন্দোনেশিয়ার জালে জড়ান শাহরিয়ার ইমন(১–৩)। পরের মিনিটে রমনির কাট ব্যাক থেকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ইন্দোনেশিয়ার বেকার। ৪–১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। প্রথমার্ধের বিরতির আগে আরও দুই গোল করে ইন্দোনেশিয়া। ৪২ মিনিটে বেকার এবং অতিরিক্ত সময়ে জাস্টিন হাবনার ইন্দোনেশিয়ার হয়ে ষষ্ঠ গোল করেন। ৬–১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করে ইন্দোনেশিয়া। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আবারও আক্রমণ করতে থাকে ইন্দোনেশিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদি হাসান শ্রাবণের দৃঢ়তায় বেশ কয়েকবারই গোল বঞ্চিত হয় স্বাগতিকরা। ফলে স্কোর লাইন ৬–১ রেখেই ম্যাচ শেষ করার পথে ছিল দু’দল। কিন্তু ম্যাচের শেষ আট মিনিটে চার গোল হয়। ৯০ মিনিটে ইন্দোনেশিয়াকে সপ্তম গোল এনে দেন লুক বিকারি। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন ফারহান আলি ওয়াহিদ। স্কোর লাইন দাঁড়ায় ৭–২। এরপর ইনজুরি সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে কেভিন ডিকস ও সপ্তম মিনিটে বেকার গোল করেন। এতে ৯–২ গোলের জয়ে ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে ফাইনালে উঠে ইন্দোনেশিয়া।












