সংবাদপত্রের মতো করে অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও টেলিভিশনগুলোতে সরকারি বিজ্ঞাপন কিংবা ক্রোড়পত্র প্রকাশের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনলাইন ও টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রস্তাব আসার পর তিনি এটি আমলে নেওয়ার কথা বলেন। গতকাল শনিবার বিকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাক–বাজেট আলোচনায় এমন প্রস্তাব উঠে আসে। সেখানে বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু বলেন, অনেক পত্রিকা তার ছাপা সংখ্যা বাড়তি দেখিয়ে সরকারি বিজ্ঞাপন নেয়। কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে দুর্নীতির মাধ্যমে এসব বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্রে সরকারের অর্থের অপচয় হয়। সেগুলোর প্রকৃত ছাপার সংখ্যা কম হওয়ায় পাঠকের কাছে সরকারের বার্তা যায় না। সেক্ষেত্রে পাঠক সংখ্যার স্বচ্ছতা থাকা অনলাইন কিংবা টেলিভিশনের মতো সংবাদমাধ্যমে তা প্রকাশের প্রস্তাব করেন তিনি। টেলিভিশনের তরফেও দুজন জেষ্ঠ্য সাংবাদিক একই ধরনের প্রস্তাব দেন।
উত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ডিজিটালাইজেশন হওয়ায় বিজ্ঞাপনের কথা যেটা বলেছেন, টিভি ও অনলাইনেৃআমাদের একটু, আরেকটি ওয়ার্ক আউট করতে হবে। আমি বিষয়টি নিয়ে কাজ করব; এটা একটা ভালো পয়েন্ট; আমি এটা বুঝতে পেরেছি। তিনি বলেন, প্রথম হচ্ছে ব্রডকাস্ট সেক্টরের ব্যাপার। আপনি (টেলিভিশন প্রতিনিধি) যেটা বিষয়টি তুলেছেন, আমার মনে হয়, এই জায়গায় আমরা কাজ করতে পারি। আমি তথ্য সচিবকে এটার নোট নিতে বলছি। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেটা বললেন। খবর বিডিনিউজের।
‘আমরা সরাসরি তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং তথ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি নিয়ে আমি আবার আপনাদের কাছে যাব। নিউজ পোর্টালের একটা যেটা বলেছেন, আমাদের এবার একটা ব্যবস্থা করতে হবে।’ সংবাদমাধ্যমকে সেবা প্রতিষ্ঠান বিবেচনায় নিয়ে কোম্পানির মতো সাড়ে ২৭ শতাংশ করপোরেট না রেখে তা কমানোর প্রস্তাবও ওঠে আলোচনা সভায়। কবি, সাহিত্যিক ও টক–শো এর সম্মানির ওপর উৎসে কর মওকুফ করার প্রস্তাবও আসে। বর্তমানে ২ হাজার টাকা সম্মানিতে ৩০০ টাকা কেটে রাখা হয় বলে সভায় তথ্য দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী এসব বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী ও সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন।













