চট্টগ্রাম রেঞ্জে কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী অভিযানে আরও এক হাজার ১২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১১ জেলায় ৬৫৩ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৪৬১ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১৯২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয় থেকে জানানো হয় যে, গত ২৪ ঘণ্টায় এসব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, নিয়মিত মামলায় ৮৬ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৬৮জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৪৪ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পাঁচজন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পরোয়ানামূলে ১৩৩ জন ও সাজা পরোয়ানামূলে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ৭৫ জনকে। তাদের মধ্যে একজন মাদক বহনকারী ও ৭৪ জন মাদকসেবী। সেই সঙ্গে নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৪২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে এক হাজার ৪৬৭টি ইয়াবা, ১৫৩ কেজি ৩৮০ গ্রাম গাঁজা, ৯১ লিটার চোলাই মদ, চার বোতল স্কাফ সিরাপ ও ২৮টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩৩ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা আদায় করা হয় ৩৮ হাজার ২০০ টাকা। এছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৬টি মামলা হয়েছে। এছাড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামের তিনজন, কুমিল্লার চারজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন ও নোয়াখালীর দুজন রয়েছেন। কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ৩৫১ জনকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রামে ১০১, লক্ষ্মীপুরে ৫৪, চাঁদপুরে ৩৭, নোয়াখালীতে ৩০, ফেনীতে ২৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫, রাঙ্গামাটিতে ১৫, কক্সবাজারে ১২, খাগড়াছড়িতে আট ও বান্দরবানে পাঁচজনকে আটক করা হয়। জনস্বার্থে এমন বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।












