চট্টগ্রাম মহানগরীতে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাসের বিদ্যমান একক চুলার সংযোগকে দ্বৈত চুলায় (দুই চুলা) রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। যেসব আবাসিক গ্রাহকের এখনো একক চুলার (এক চুলা) সংযোগ রয়েছে, তাদের দ্রুত কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট রাজস্ব বা বিক্রয় শাখায় যোগাযোগ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই ব্যাপারে ইতোমধ্যে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পক্ষ থেকে জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) বিক্রয় শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস বিপণন নিয়মাবলী অনুযায়ী কেজিডিসিএল–এর আওতাভুক্ত এলাকার সব বিদ্যমান একক চুলার সংযোগকে বাধ্যতামূলকভাবে দ্বৈত চুলার সংযোগে রূপান্তর করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহদেরকে কোম্পানির রাজস্ব/ বিক্রয় শাখায় যোগাযোগ করে কোড নম্বরসহ আবেদন করে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।
বিপণন শাখার সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, নগরীতে অনেক আবাসিক গ্রাহকের একক চুলা রয়েছে। আর এসব একক চুলার বেশি ভাগই দ্বৈত চুলা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
কেজিডিসিএল–এর রাজস্ব বিভাগ থেকে জানা গেছে, দ্বৈত চুলা বা দুই চুলার গ্যাসের প্রতি মাসের বিল ১০৮০ টাকা। আর একক বা এক চুলার গ্যাসের বিল ৯৯০ টাকা। নগরীতে একক চুলার গ্রাহকের বাসা–বাড়িতে বিভিন্ন সময়ে কেজিডিসিএল–এর ভিজিল্যান্স টিমের অভিযানে দ্বৈত চুলা ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। চট্টগ্রাম মহানগরীতে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আবাসিক গ্রাহকদের মাঝে গৃহস্থালী সংযোগ রয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩১৯টি। এছাড়াও বাণিজ্যিক সংযোগ রয়েছে ১৬৭৮টি, শিল্পকারখানায় সংযোগ রয়েছে ৭৩৮টি, বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৬টি, কেপটিভ পাওয়ারে সংযোগ রয়েছে ১৮৬টি, সার কারখানায় ৪টি, চা বাগানে সংযোগ রয়েছে ৩টি, সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সংযোগ রয়েছে ৬৬টি। সব মিলে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মোট গ্রাহক সংখ্যা ১ লাখ ৪৫ হাজার।











