টেকনাফের এক ব্যক্তির তিন বছরের কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখা এবং সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে এক ব্যক্তিকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সমপরিমাণ তথা ২ কোটি ১১ লাখ ২৭ হাজার ৫৭৯ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন আবদুর রহিম। তিনি টেকনাফ পৌরসভার আলিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন না। তিনি পলাতক। এ জন্য তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রেজাউল করিম রনি দৈনিক আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অপর একটি ধারায় আবদুর রহিমকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডও দিয়েছেন বিচারক। আদালতসূত্র জানায়, আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে তার নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এসব সম্পদের বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতি রয়েছে বলে অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়। এরপর দুদকের পক্ষ থেকে আবদুর রহিমকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–২ এর তৎকালীন উপ–সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন।

মামলায় সম্পদ বিবরণী দাখিল না করাসহ আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে ২ কোটি ১১ লাখ ২৭ হাজার ৫৭৯ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। আদালতসূত্র আরো জানায়, মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করলে আদালত আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচকরিয়ার সাহারবিল ইউপির চেয়ারম্যান মহেশখালীতে গ্রেপ্তার
পরবর্তী নিবন্ধপরিবেশ রক্ষায় মমতার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি