পটিয়ায় ছেলে ধরা সন্দেহে নারী–পুরুষ দুইজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, পটিয়া সদরের কাগজীপাড়া এলাকায় আশরাফ আলী একাডেমির তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী উম্মে সালমাকে স্কুল ছুটির পর এক রিকশাচালক ও এক নারী বাড়ির সামনে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে রিকশায় তুলে নেয়। কিন্তু রিকশা বাড়ির সামনে না থামিয়ে অন্যদিকে চলে যাচ্ছিল। এ সময় শিশু ইকরা চিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন কচুয়াই ইউনিয়নের আবুল ফয়েজের ছেলে মো. ফারুক (৪২) এবং কক্সবাজারের কুতুপালং এলাকার জামাল হোসেনের মেয়ে শাহাজাহান বেগম (৪০)। এ সময় তাদের মারধর করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
শিশুটির বাবা প্রবাসী শাহনেওয়াজ মামুন বলেন, প্রতিদিনের মতো স্কুল ছুটির পর আমার মেয়ে ইকরা বাড়িতে ফিরছিল। রিকশাচালক এবং ওই নারী ইচ্ছাকৃতভাবেই আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ, বিষয়টি যেন তদন্ত করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পটিয়া পৌরসভা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ছেলে ধরার ঘটনায় আমরা অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তদের আইনের হাতে সোপর্দ করেছি। আমরা প্রশাসনের যথাযথ হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এলাকার মানুষ এগিয়ে না এলে ছোট্ট শিশুটিকে আজ অপহরণ করে নিয়ে যেত তারা।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, শিশুকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে দুইজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।













