সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সমপ্রতি সই হওয়া ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে অংশগ্রহণের আগ্রহ ঢাকার তরফে প্রকাশ করার কথা বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, মক্কা ডিফেন্স প্যাক্টে তো আমরা আগ্রহ প্রকাশ করছি। বললাম তো, একটা আগ্রহ আছে। পশ্চিম এশিয়ায় যেসব অংশীদার আছেন, বিশ্বজুড়ে যারা মুসলিম বিশ্বের অংশীদার, এখন বাংলাদেশের নেতৃত্ব, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বকে তারা অনেক জায়গায় আমন্ত্রণ জানাচ্ছে তাদের সঙ্গে থাকার জন্য।
গত ৭ অগাস্ট সৌদি আরবের মক্কায় তিন দেশের মধ্যে এ ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সেই হয়। পশ্চিম এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়া যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত এবং অঞ্চলজুড়ে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এ জোট গড়া হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী জোটে থাকা যেকোনো একটি সদস্য দেশের ওপর আক্রমণকে সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। মন্ত্রাণালয় আরও জানায়, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো ‘যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ শক্তিশালী করা। চুক্তির ঘোষণায় সদস্য দেশগুলো নিজেদের যৌথ নিরাপত্তা আরও জোরদার করার পাশাপাশি নিজেদের অঞ্চল ও অঞ্চলের বাইরে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগে যৌথভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়েও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে দেশ তিনটি। খবর বিডিনিউজের।
এই চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনার মধ্যে ২৭ অগাস্ট জেদ্দায় অনুষ্ঠেয় ওআইসির মন্ত্রী পর্যায়ের জরুরি সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন। মক্কা চুক্তিতে ঢাকার অংশগ্রহণের নিয়ে করা প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, আমরা মক্কা নিয়ে তো সবসময় আলাদা একটা জায়গা, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে, পশ্চিম এশিয়ায় একটা যদি হয়, যদি ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে একটা নিরাপত্তা চুক্তি হয়, তাহলে ওখানে তো অস্বাভাবিক না যাওয়া। দেখা যাক, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।












