মানবপ্রেম, আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা, সমপ্রীতি ও মানবকল্যাণের আদর্শে হযরত শাহসুফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল–হাসানী ওয়াল–হোসাইনী আল–মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর জীবন ও কর্ম ছিল নিবেদিত বলে মন্তব্য করেছেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহসুফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল–হাসানী ওয়াল–হোসাইনী আল–মাইজভাণ্ডারী। তিনি বলেন, হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ (ক.) মানুষের আত্মিক উন্নতি ও চরিত্র গঠনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সমপ্রীতির শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে জীবনব্যাপী কাজ করেছেন। তাঁর জীবনদর্শনের কেন্দ্রে ছিল আল্লাহ ও রাসুলপ্রেম, আত্মশুদ্ধি এবং সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা। ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে শাহসুফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল–হাসানী ওয়াল–হোসাইনী আল–মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর ১৫তম বার্ষিক পবিত্র ওরশ শরীফের ২রা ভাদ্রের সমাপনী দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী এ ওরশ শরীফের সমাপনী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ ও ১৮ আগস্ট ওরশ উপলক্ষে বিশেষ নসিহত, জিকির–আযকার, আলোচনা ও দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওরশের সমাপনী দিনে আখেরি মুনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়। ওরশের দুই দিনের কর্মসূচি ও সমাপনী মুনাজাতের বিষয়টি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের পূর্বপ্রকাশিত প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়েছিল। সমাপনী দিনের প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান থেকে আগত আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলার আল্লামা ড. মুহাম্মদ কাওকাব নূরানী ওকাড়ভী (মু.জি.না.)। এ ছাড়া বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ হাসান রেজা আল–কাদেরী, মাওলানা মুফতি বাকিবিল্লাহ আজহারী, মাওলানা ফখরুদ্দীন চাঁদপুরী, মাওলানা সৈয়দ আহমদুল হক মাইজভাণ্ডারীসহ বহু ওলামায়ে কেরাম। তাঁরা হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ (ক.)-এর জীবন, সাধনা, আধ্যাত্মিক দর্শন, মানবপ্রেম, নৈতিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি হযরত শাহসুফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল–হাসানী ওয়াল–হোসাইনী আল–মাইজভাণ্ডারী আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করেন।











