বোয়ালখালী উপজেলা গাউসিয়া কমিটি : পবিত্র বারো রবিউল আউয়ালকে স্বাগত জানিয়ে ও জশনে জুলুছের সফলতার লক্ষ্যে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ বোয়ালখালী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার যৌথ ব্যবস্থাপনায় বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা ও র্যালি বের করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার মীরপাড়াস্থ খানকা থেকে শুরু হওয়া স্বাগত র্যালিটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পোপাদিয়া আকুবদণ্ডী হযরত নেয়ামত আলী শাহ ঈদগাঁ ময়দানে গিয়ে সমাপ্ত হয়। সেখানে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ উপজেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক কাজী এম এ জলিলের ব্যবস্থাপনায় ও গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল ইসলাম চৌধুরী মুন্সির সভাপতিত্বে সমাপনী জলসা, মিলাদ, কিয়াম ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আনজুমান রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক আলহাজ্ব মাওলানা এম. এ মান্নানের ছদরাতে অনুষ্ঠিত র্যালিতে মোটরসাইকেল ও পিকআপ নিয়ে কয়েক হাজার আশেকে রাসুল অংশগ্রহণ করেন। বৃহত্তর বোয়ালখালী জুলুছ প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক, বিশেষ অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি আবুল মনছুর সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম, সহ সভাপতি কাজী ওবায়দুল হক হক্কানি, আলহাজ্ব শেখ মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন, মাওলানা আব্দুন নবী। আরো উপস্থিত ছিলেন এস এম মমতাজুল ইসলাম, আবুল মনছুর দৌলতী, মাওলানা জয়নুল আবেদীন আলকাদেরী, মাওলানা ফখরুদ্দীন, আলম খান, কাজী মিজানুল কাদের, মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইব্রাহীম, আবু সালেহ সাইফুল হক, ইসকান্দর আলম দিদারসহ আরও অনেকে। সমাবেশে বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি–শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাঁর পবিত্র জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার আহ্বান জানান বক্তারা।

শাহসুফি আমানত খান (রহ.) দরগাহ শরীফ : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে হযরত শাহসুফি আমানত খান (রহ.)-এর আওলাদে পাকগণের ছদারতে দরগাহ শরীফ থেকে এক বর্ণাঢ্য স্বাগত র্যালি বের করা হয়েছে। শাহজাদা এনায়েত উল্লাহ খানের দোয়া পরিচালনার মাধ্যমে র্যালিটি শুরু হয়। দরগাহ শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে লালদীঘি পেট্রোল পাম্প হয়ে এই জুলুস নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শাহজাদা ফরিদ উদ্দীন মোহাম্মদ আলী খান। আশেকান, ভক্ত, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ‘খানকায়ে আমানতীয়া বেলায়েতীয়া শরীফ’–এর সার্বিক সহযোগিতায় সর্বস্তরের নবীপ্রেমিক জনতা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। শাহজাদা সৈয়দ মারুফ শাহ আল–আমানতীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে আওলাদে পাকগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা নাসির উদ্দিন খান, শাহজাদা আমানত খান তাহের মিয়া, শাহজাদা নিয়ামত উল্লাহ খান, শাহজাদা সালামত উল্লাহ খান,শাহজাদা শরফুদ্দীন আলী খান শাহিন, শাহজাদা বাহাউদ্দীন খান, শাহজাদা জিয়াউদ্দিন খান, শাহজাদা আহসান খান, শাহজাদা জুবায়ের খানসহ আরও অনেকে। শাহজাদা ফরহাদ খান ও শাহজাদা সাদমান খানের যৌথ পরিচালনায় এবং ফাউন্ডেশনের মহানগর সেক্রেটারি মশিউর রহমান জনির সঞ্চালনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আনন্দ ও মহিমা তুলে ধরে জুলুসটি সামনের দিকে এগিয়ে যায়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা পবিত্র দরুদ ও সালাম পাঠের মাধ্যমে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরবর্তীতে জুলুসটি পুনারায় দরগাহ শরীফ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয় এবং শাহজাদা ইজাজউদ্দিন মোহাম্মদ আজিম খানের মোনাজাত ও দোয়া পরিচালনার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন মাহবুব, যুবসেনার কেন্দ্রীয় প্রাক্তন সভাপতি আবু আযম, দরগাহ শরীফ মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা তবারক আলী, শরফুদ্দিন মিহির, শেখ সাইমন হাসান ও সিফাত মোজাম্মেলসহ প্রমুখ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

গাউসিয়া কমিটি ৫নং ওয়ার্ড মোহরা শাখা : চান্দগাঁও মোহরা ৫নং ওয়ার্ড তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা থেকে পবিত্র মাহে রবিউল আউয়ালকে স্বাগতম জানিয়ে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ৫নং ওয়ার্ড মোহরা শাখার উদ্যোগে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি কালুরঘাট তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা থেকে শুরু হয়ে কাপ্তাই রাস্তার মাথায় এসে শেষ হয়। গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ৫নং ওয়ার্ড মোহরার স্বাগত র্যালি উক্ত শাখার সভাপতি মুহাম্মদ লোকমানের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জামশেদুল আলম সুমনের সঞ্চালনায় র্যালি শেষে বক্তব্য রাখেন উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আনজুমান–এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের কেবিনেট সদস্য মুহাম্মদ হোসাইন খোকন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চান্দগাঁও থানা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জানে আলম জিকু, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চান্দগাঁও থানার আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম কোম্পানি, নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ জানে আলম, মোহাম্মদ জমির আহম্মদ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম খান, মুহাম্মদ মাজেদুল ইসলাম বেলাল, মুহাম্মদ ইলিয়াছ, মুহাম্মদ আহমদ নবী, মুহাম্মদ শাহেদ আলম, মুহাম্মদ ইলিয়াছ এবং অত্র ওয়ার্ডের আওতাধীন শাখার সকল নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, পবিত্র মাহে রবিউল আউয়াল আমাদের জন্য রহমত, বরকত ও আনন্দের মাস। এ মাসেই আগমন করেছেন বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত, উম্মতের কান্ডারী নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)।

হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.) দরগাহ্ শরীফ : মদিনার সনদ মানব ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে স্বীকৃত। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর মদিনার স্থানীয় বাসিন্দা ও মুহাজিরদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং মদিনায় বসবাসরত বিভিন্ন সমপ্রদায়কে নিয়ে একটি সুসংগঠিত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক সনদ প্রণয়ন করেন। মদিনার সনদের মাধ্যমেই ইতিহাসে প্রথম একটি ভৌগোলিক সীমারেখাভিত্তিক সার্বভৌম ইসলামী রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন ঘটে। মদিনার সনদ কেবল ধর্মীয় ঐক্য নয়, বরং প্রশাসনিক, সামাজিক ও সামরিক ক্ষেত্রে একটি আধুনিক ও মানবিক রাষ্ট্রের সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেছিল। হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.) দরগাহ্ শরীফ মসজিদে ১৩ দিনব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) সমাবেশের ৫ম দিনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে আল্লামা আহ্মদুল্লাহ ফোরকান খান কাদেরী উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। আঞ্জুমানে আশেকানে মোস্তফা (দ.) ট্রাস্ট ও আশেকানে মোস্তফা (দ.) তরুণ পরিষদের ব্যবস্থাপনায় গত ১৭ আগস্ট হযরত বায়েজীদ বোস্তামী (রহ.) দরগাহ্ মসজিদে মহান রবিউল আউয়ালে বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারী রাহমাতুল্লিল আলামীন (দ.) নিখিল বিশ্বে শুভাগমন উপলক্ষে কাযী মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম হাশেমী (রহ.)’র হাতে গড়া প্রতিষ্ঠিত ১৩ দিনব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) সমাবেশ আল্লামা শাহসূফী কাযী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমীর (মা.জি.আ.) সভাপতিত্বে ৫ম দিন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কুলগাঁও মাইজপাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা নুর মুহাম্মদ কাদেরী। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন রাউজান দারুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক আল্লামা আবদুল্লাহ ফোরকান খান কাদেরী। বিশেষ বক্তা ছিলেন বাকলিয়া শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শাহ ফাইজুল কাবির বদরী নীলফামারী, অঙিজেন গাউছিয়া তৈয়্যবিয়া জামে মসজিদের খতিব আল্লামা খলিলুর রহমান আল–কাদেরী প্রমুখ। শাহজাদাগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল আমিন হাশেমী দরবার শরীফের মুনতাজেম হাফেজ মাওলানা কাযী মুহাম্মদ খালেদুর রহমান হাশেমী, আশেকানে মোস্তফা (দ.) তরুণ পরিষদ কুলগাঁও শাখার সভাপতি শাহজাদা মাওলানা কাযী মুহাম্মদ সাজেদুর রহমান হাশেমী, শাহজাদা মাওলানা কাযী মুহাম্মদ সফিরুর রহমান হাশেমী সাকিব, শাহজাদা মাওলানা কাযী মুহাম্মদ নাকিব হাশেমী, মুহাম্মদ নাজিমুল হাসান, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল নিশান সহ অসংখ্য আলেম ওলামা, পীর মাশায়েখ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আমির ভাণ্ডার দরবার শরীফ : আমির ভাণ্ডার দরবার শরীফে ১২ দিনব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী ও খতমে সালাওয়াতে রাসুল মাহফিলের ৮ম দিবস ২১ আগস্ট, জুমাবার সম্পন্ন হয়েছে। মাহফিলের শুরুতে পটিয়া আমিরুল আউলিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রদের অংশগ্রহণে পবিত্র কুরআনুল কারীমের খতম আদায় করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব শাহসূফি সৈয়দ মুহাম্মদ করিমুল মোস্তফা আমিরী। পীর–মাশায়েখের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল আমিন হাশেমী দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আল্লামা মুফতি সৈয়দ ছাদেকুর রহমান হাশেমী, মাওলানা সৈয়দ আছরার আমিরী, মাওলানা সায়েম উল্লাহ আমিরী, মাওলানা শিব্বির আহমেদ ওসমানী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যমুনা গ্যাস কোম্পানির জি.এম আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শফিকুল ইসলাম রাহী, ফলমন্ডি ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি মোহাম্মদ তৌহিদুল আলম, শাহজাদা সালাউদ্দিন মাহমুদ ফরহাদাবাদী, আবুল ফয়েজ, মুহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ আদিল মাহমুদ। মাহফিলের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে তকরীর পেশ করেন দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরী ও প্রধান আলোচক হিসেবে তকরীর পেশ করেন ঢাকা আল নুর জামে মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ মানজুর হোসাইন খন্দকার। নাত পরিবেশন করেন নাত খাঁ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ত্বকী ও আবু হুরায়রা হামীম। মিলাদ কিয়াম পরিচালনা করেন মুহাম্মদ মেরাজ রেজা কাদেরী। মাহফিল সঞ্চালনায় ছিলেন শওকত আলী ইরফান।

টাক শাহ মিয়া (র.) ইসলামিক একাডেমি : অধ্যক্ষ আল্লামা এস এম ফরিদ উদ্দীন বলেছেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) সামাাজিক জীবনে শান্তি, সৌহার্দ্য ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় মানুষকে উজ্জীবীত করে। এটি কেবল উৎসব নয়, বরং নবীজির আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে একটি আদর্শিক, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে নিয়ামক ভূমিকা পালন করে। নবীজির দয়া ও ক্ষমার আদর্শ প্রচার করে সমাজে সংঘাত– সহিংসতা, পারস্পরিক বিভেদ –বিসম্বাদ ও কলহ–দ্বন্দ দূর করার বার্তা দেয়। সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবতা রক্ষায় মহানবীর জীবনদর্শন অনুসরণে উদ্বুদ্ধ করে। সর্বোপরি মানুষের মাঝে পারস্পরিক মেলবন্ধন ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হয়। হযরত টাক শাহ মিয়া (র.) ইসলামিক একাডেমি ও এতিমখানার যৌথ উদ্যোগে গতকাল শনিবার মাদরাসা ক্যাম্পাসে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ডা. মুহাম্মদ হাসান মুরাদেও সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক মাওলানা মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন–অধ্যক্ষ মাওলানা ছৈয়দ মুহাম্মদ আবু ছালেহ, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম। বক্তব্য দেন, মাওলানা আনিসুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ এহসানুল হক, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এম আবু তাহের, হাসান ইমাম, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, হাফেজ মুহাম্মদ বোরহান, হাফেজ হাবিবুর রহমান, হাফেজ ইব্রাহিম খলিল, হাফেজ মুহাম্মদ জালাল, হাফেজ মুহাম্মদ রাসেল, রবিউল হোসেন প্রমুখ।

বাংলাদেশ মোহাম্মদিয়া ক্বাফেলা : মহনবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়ালিহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র বেলাদত শরীফ উপলক্ষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ আজ আনন্দিত ও উদ্বেলিত। আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার দূর করে তিনি পৃথিবীতে এনেছিলেন সত্য, ন্যায় ও শান্তির সুশীতল আলো। গত বুধবার বাংলাদেশ মোহাম্মদিয়া ক্বাফেলার উদ্যোগে মুহাম্মদীয়া খানকাহ শরীফে বারদিন ব্যাপী জসনে ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়ালিহি ওয়াসাল্লাম এর ৭ম দিবসের আলোচনায় মুহাম্মদী ক্বাফেলার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান খাদেম এ আর এম কামরুল ইসলাম একথা বলেন। তিনি তাঁর সমাপনী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বিশ্ব শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজ্বের ভাষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাছাড়া এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ছায়ানীড় আবাসিক এলাকায় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আজগর আলী আলকাদেরী, কর্ণফুলীস্থ সুলতানুল আরেফিন ক্যাডেট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতী মুহাম্মদ আবুল কাশেম আলকাদেরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আয়োজনকে সমৃদ্ধ করেছেন চট্টগ্রাম দরবার শরীফের মোন্তাজেম ও খলিফায়ে রাহে ভান্ডার শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ ডা: আরেফ হোসাইন (মাজিআ) এবং নায়েবে মোন্তাজেম মাওলানা সৈয়দ মশিউর রহমান রাহাত (মাজিআ), বহদ্দারহাট সুলতান শাহ দরবারের আওলাদ শাহজাদা মোহাম্মদ হাসান (মাজিআ), বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক হজরত মাওলানা মুফতি ছালেহ সুফিয়ান ফরহাদাবাদী মাইজভান্ডারী (মাজিআ)। মুহাম্মাদীয়া খানকাহ শরীফের প্রধান খাদেম এ আর এম কামরুল ইসলামের আহবানে এবং উপস্থিতিতে এডভোকেট মীর মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম সেলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত মাহফিলে বক্তারা নির্ধারিত বিষয়ের উপর সারগর্ভ আলোচনা করেন। মাহফিলে অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নাত খাঁ ও শায়ের মোহাম্মদ সরওয়ার আবেদীন, নাত খাঁ মোহাম্মদ সোলায়মান রেজা, নাত খাঁ মাওলানা মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, মোহাম্মদ জাকের চিশতি, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সুহাস, মোহাম্মদ মিঠু, মুহাম্মদ জিসান, মুহাম্মদ ইয়াছিন, মোহাম্মদ রাশেদ, এ আর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। মুহাম্মাদীয়া ক্বাফেলা ঐক্য পরিষদের প্রধান খাদেম এ আর কামরুল ইসলাম তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পূর নূর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়ালিহি ওয়াসাল্লাম–এর পবিত্র বেলাদত শরীফ উপলক্ষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ আজ আনন্দিত ও উদ্বেলিত। আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার দূর করে তিঁনি পৃথিবীতে এনেছিলেন সত্য, ন্যায় ও শান্তির সুশীতল আলো। পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া, মুনাজাত পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা শাহ সূফি জাফর ছাদেক শাহ (মা জি আ)।

চান্দগাঁও গাউসিয়া কমিটি : গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম চান্দগাঁও থানার আওতাধীন ৪নং ওয়ার্ড আয়োজিত পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদ–এ মিলাদুন্নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে সমাবেশ ও স্বাগত জুলুস ২১ আগস্ট বিকালে সিএন্ডবি ওসমানিয়া গ্লাস ফ্যাক্টরি সামনে থেকে শুরু হয়ে চান্দগাঁও আবাসিক বি ব্লক মসজিদ হয়ে হযরত আব্দুল হামিদ শাহ রহ মাজার প্রাঙ্গণে শেষ হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, আনজুমান–এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের কেবিনেট মেম্বার ও গাউসিয়া কমিটি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ হোসেন খোকন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের ঘোর অন্ধকারকে দূরবিত করে আলোকিত এক উজ্জ্বল প্রদীপ রূপে দুনিয়ায় রহমতের বার্তা নিয়ে শুভাগমন করেছিলেন দুজাহানের বাদশা নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। গাউসিয়া কমিটি ৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম সাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ও থানা ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান হাসান কাদেরী, গাউসিয়া কমিটি থানা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম কোম্পানি, ডঃ মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মুহাম্মদ জানে আলম, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ–সভাপতি মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন মানিক, সহ সভাপতি মুহাম্মদ আবুল মনসুর সিকদার, মুহাম্মদ সেলিম, মুহাম্মদ ইস্কান্দার চৌধুরী, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম হেলাল, মুহাম্মদ সোলাইমান ইসলাম পিনু, মুহাম্মদ আবুল মনসুর স্যার, মুহাম্মদ মনছুর কো:, মুহাম্মদ নুরুল হুদা টিটু, জাহাঙ্গীর মুহাম্মদ আব্দুর রহমান, মুহাম্মদ আলমগীর আলম, মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মুহাম্মদ নিজাম, মুহাম্মদ ইকবাল, দিদার নিজামী, জুলুছ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মুহাম্মদ মাহাবুবুল আলম, এম জে মামুন, মুহাম্মদ শাওন এর নেতৃত্বে মোহাম্মদী ব্যানার শোভা বর্ধন হয়। এছাড়াও ওয়ার্ড,ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে এক বিশাল স্বাগত জুলুস এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় এসে শেষ হয়।

কাথরিয়া ইউনিয়ন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত : বাঁশখালী প্রতিনিধি জানান, বাঁশখালীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের চুনতি বাজার থেকে কাথরিয়া ইউনিয়ন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ও চুনতি বাজার আল্লামা গাজী শেরে বাংলা (রহ.) স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে জুলুছটি শুরু হয়। পরে কাথরিয়া বাজারসহ ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো প্রদক্ষিণ করে বাগমারা অলিশাহ (রহ.) মাদরাসা ময়দানে এক সমাবেশে মিলিত হয়। মাওলানা নেছার উদ্দীন মুনিরী আল কাদেরীর সভাপতিত্বে আমির হোসাইনের সঞ্চালনায় সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান চৌধুরী, আবু বক্কর সিকদার, হাফেজ আব্দুল ওয়াহেদ, মাওলানা আব্দুল মালেক আশরাফী, মোহাম্মদ রাসেল চৌধুরী, মাওলানা আবদুর রহমান রেজভী, সার্জেন্ট নূর হোসেন তালুকদার, এডভোকেট মহিউদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা আবদুর রহমান আল কাদেরী, হাফেজ জসীম উদ্দীন, হাফেজ নেজাম উদ্দীন, মনিরুল হাসান কামালী প্রমুখ।












