দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষে চট্টগ্রাম সহ তিনটি স্টেডিয়ামের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের আশ্বাসে আগামী ৫–৭ কর্মদিবসের মধ্যে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কমলাপুর স্টেডিয়ামের মূল অংশের দায়িত্ব বাফুফেকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাফুফে সভাপতি। এছাড়া কক্সবাজারের রামুতে ফিফার অর্থায়নে টেকনিক্যাল সেন্টারের জন্য জমির পরিমাণ ২৫ একর থেকে কমিয়ে ১৫ একর করা হলেও, সুযোগ–সুবিধায় কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে নিশ্চিত করেছে বাফুফে। গতকাল বাফুফে ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাফুফে সভাপতি জানান, ডেডিকেটেড স্টেডিয়াম ছাড়া কাঙ্খিত মানোন্নয়ন সম্ভব নয়, এই বিষয়টি সরকারকে বারবার অবহিত করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতেই তিনটি স্টেডিয়াম নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে। স্টেডিয়ামের ভেতরের অংশ, যেমন গ্যালারি, ড্রেসিংরুম এবং মাঠের দায়িত্ব বাফুফের হাতে থাকবে। তবে দোকান, বাণিজ্যিক স্পেস বা মালিকানার কোনো অংশ বাফুফে পাবে না, এগুলো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) অধীনেই থাকবে। তিনি বলেন, ‘কিছু ডকুমেন্টেশনের কাজ বাকি থাকায় কিছুটা সময় লাগছে। তবে মন্ত্রী মহোদয়, বিশেষ করে আমিনুল হক সাহেবের কাছ থেকে আমরা যে কমিটমেন্ট পেয়েছি, তাতে আমি আশাবাদী আগামী ৫–৭ কর্মদিবসের মধ্যেই কাজটা সম্পন্ন হবে।’ এদিকে রামুতে টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মাত্র ১ লাখ ১ টাকা নামমাত্র মূল্যে এই জমির মিউটেশন বা নামজারি করা হচ্ছে। আগে ২৫ একর জমিতে এই প্রজেক্টের নকশা করা হলেও, বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তে তা ১৫ একরে নামিয়ে আনা হয়েছে। বাফুফে মনে করছে, এই পরিমাণ জমিতেও কাজ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। জায়গা কমলেও একাডেমির মান নিয়ে আপস করা হবে না জানিয়ে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘প্ল্যান হয়তো পরিবর্তন হবে, কিন্তু সুযোগ–সুবিধা কোনোভাবেই কমবে না। হয়তো একাধিক জিম বা সুইমিংপুলের সংখ্যা কমে আসবে, কিন্তু কোনোভাবেই সাইজ, কোয়ালিটি বা ফ্যাসিলিটিতে স্যাক্রিফাইস হবে না। ফিফাও এই বিষয়ে একমত।’










