ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ৫ আগস্টের মূল চেতনা হলো বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং গত ফ্যাসিস্টের করা অপশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করা। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জনসম্মুখে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ শতভাগ বাস্তবায়নে বিএনপি বদ্ধপরিকর।
গত বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: বাস্তবতা, প্রচার ও অপপ্রচার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি, সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান, বিসিবির পরিচালক ইসরাফিল খসরু এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আল ফোরকান।
মীর হেলাল বলেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা ও জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে অবদান ছিল প্রশংসনীয়। জুলাই–আগস্ট আন্দোলনেও ছাত্রদল মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন এবং ছাত্রদলের ১৪২ নেতাকর্মী শহীদ হন।
এরশাদ উল্লাহ্ এমপি বলেন, জুলাই আন্দোলনে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে চট্টগ্রামে ছাত্রদলকে দিয়ে আন্দোলন চলমান রাখতে সার্বক্ষণিক তদারকিতে ছিলাম এবং সব সময় ছাত্রদল মাঠে ছিল। নাজিমুর রহমান শহীদ ওয়াসিমসহ যারা বিগত আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন তাদের প্রত্যেককে যথাযথ সম্মানের সহিত প্রতিটি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে ছবি সহকারে উল্লেখ করে উপস্থাপন করার জোর দাবি জানান।
ইসরাফিল খসরু বলেন, বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে জুলাই–আগস্টে যে আন্দোলন হয়েছে, ৫ আগস্ট–পরবর্তী সময়ে ছাত্রদলই সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হয়েছে। এ বৈষম্য দূর করতে ছাত্রদলকে সজাগ থাকার পাশাপাশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আল ফোরকান বলেন, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ছাত্রদলের সক্রিয় অংশগ্রহণে জুলাই–আগস্টের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে এবং ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্যাসিস্টমুক্ত হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব শরিফুল ইসলাম তুহিনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ চৌধুরী লিমন, যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তানভীর, শহিদুল ইসলাম সুমন, খন্দকার রাজিবুল হক বাপ্পী, মোহাম্মদ আনাছ, নুর জাফর নাঈম রাহুল এবং সদস্য ইমরান হোসেন বাপ্পী, আল মামুন সাদ্দাম, কামরুল হাসান আকাশ ও আব্বাস উদ্দিন।












