পটিয়া উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের ঈশ্বরখাইন চৌধুরীপাড়া আজিজিয়া নজিরিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসায় ৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় আগে গ্রেপ্তার হওয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষকের পাশাপাশি এবার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. জুনায়েদ (১৫) নামের অপর এক শিক্ষার্থীকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ওই মাদ্রাসার ৮ বছর বয়সী এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পর্যবক্ষণের পর যৌন নিপীড়নের বিষয়টি পরিবারের সামনে আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে মাদ্রাসার শিক্ষক বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর–করলডেঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা আবদুল আজিজকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। তবে শুরুতে ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা না করায় আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে ১৮ জুলাই পটিয়া থানাকে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরে ওই দিনই শিশুটির মা বাদী হয়ে আবদুল আজিজকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর পুলিশ ২২ জুলাই ধলঘাট ইউনিয়নের ঈশ্বরখাইন এলাকার বাসিন্দা মো. দিদারের ছেলে ও একই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. জুনায়েদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে গাজীপুর শিশু কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে প্রধান আসামি আবদুল আজিজ কারাগারে রয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ–পরিদর্শক (এসআই) মো. জুয়েল বলেন, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে জুনায়েদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুইজন আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।












