বাঁশখালী ও সাতকানিয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৩৩তম ব্যাচ। বাঁশখালীর বৈলছড়ির প্রত্যন্ত জালিয়াগাটা, কাথারিয়া ও সাতকানিয়ার কাঞ্চনা, প্রত্যন্ত রুপকানিয়া মাইজপাড়াসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় গৃহ ও সর্বস্ব হারানো প্রায় ১৫০ পরিবারের মধ্যে নিজেদের সম্মিলিত উদ্যোগে উত্তোলিত নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন চবি ৩৩তম ব্যাচের সদস্যরা।
বাঁশখালীর বন্যায় মাটির ভিটেঘর হারিয়ে নগদ সহায়তা পাওয়া স্বামীহারা তিন সন্তানের জননী শাহেদা বেগম (৪৫) জানালেন তার খুশির কথা। তিনি বলেন, বন্যাতে সব শেষ। এখন কোনোমতে পলিথিন, বেড়া দিয়ে থাকতেছি। খেয়ে, না খেয়ে দিন যায়। টাকাটা খুব উপকার হবে।উক্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ৩৩তম ব্যাচের দপ্তর সম্পাদক (১) মারুফ ইমতিয়াজ বলেন, আমাদের চবি ৩৩তম ব্যাচের প্রতিটি সদস্যই যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি ও বিপর্যয়ে সর্বদা মানুষের পাশে থাকতে সচেষ্ট। এইক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আরেকজন সদস্য মোহাম্মদ মুজেলুজ্জামান সুমি বলেন, বন্যাকবলিত এসব পরিবারের পাশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সকলেরই উচিত এগিয়ে আসা। আমরা দুর্গত এলাকায় স্বচক্ষে দেখেছি, পানি নেমে গেলেও মানুষজন এখনো অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করছে।
বাঁশখালী ও সাতকানিয়ার দুর্গত এলাকায় পরিবারগুলোর মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সুইট খন্দকার, হেদায়েত উল্লাহ, সফিক চৌধুরী, মাসুদুল হাসান, মেজবাহ মাহবুব রাসেল, রাশেদ ইকবাল, মাহবুবুর রহমান পাভেল, তাজউদ্দীন, আইয়ুব বাচ্চু, আপেল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি












