আদিবাসী জীবনের প্রথম কাব্যকারখ্যাত কবি হাফিজ রশিদ খানের কাব্যজীবন নিয়ে আলোচনা ও কবিতাসন্ধ্যা গত ৪ জুলাই বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কবি ও সম্পাদক মঈন ফারুক। আলমগীর কবিরের বংশীবাদনের পর কবি হাফিজ রশিদ খানকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান অনুষ্ঠানের উপস্থাপক কবি আখতারী ইসলাম। এরপর আয়োজকদের পক্ষ থেকে কবিকে উত্তরীয় পরিধান ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান কবি সাজিদুল হক ও কবি সাবিনা পারভীন লীনা।
অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে চট্টগ্রামের চারটি ছোটকাগজ চন্দ্রবিন্দু, সারেং, অমলতাস ও বিকল্পভাষ্য। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি ও কথাসাহিত্যিক মহীবুল আজিজ। আলোচনা করেন কবি ও সাংবাদিক ওমর কায়সার, কবি কর্মধন তঞ্চঙ্গ্যা, কবি কাশেম আদনান ও কবি স্বরূপ সুপান্থ। অনুভূতি প্রকাশ করেন কথাসাহিত্যিক দেবাশীষ ভট্টাচার্য, সারেং সম্পাদক কথাসাহিত্যিক জাহেদ মোতালেব, কবি শাহিদ হাসান, সারেং সম্পাদক কথাসাহিত্যিক শোয়ায়েব মুহামদ, কবি মুজিব রহমান, অমলতাস সম্পাদক কবি সাবিনা পারভীন লীনা, গল্পকার মাজহারুল আলম তিতুমীর, গল্পকার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও গল্পকার সৈয়দ মনজুর মোরশেদ।
মহীবুল আজিজ বলেন, কবি হাফিজ রশিদ খানকে বলা হয় পাহাড় ও সমতলের ঋত্বিক। তার কবিতায় উঠে এসেছে আদিবাসী পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের অজানা চিত্র। তার প্রবন্ধগুলো আদিবাসীদের ভাষা ও বাংলা ভাষার সাথে সমন্বয় তৈরি করেছে। ওমর কায়সার বলেন, বাংলা কবিতায় হাফিজ রশিদ খান একটি স্বতন্ত্র ভূখণ্ড নির্মাণ করেছেন। তার কাব্যের জগৎটি গড়ে উঠেছে দেশের প্রান্তে, পাহাড়ের কোলে বসবাসরত, চিরঅবহেলিত, বঞ্চিত, পশ্চাৎপদ নৃগোষ্ঠীর মানুষদের নিয়ে। তিনি তাদের সামনে এনেছেন। এটাই তার বড় কৃতিত্ব। কবি হাফিজ রশিদ খানের কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের আবৃত্তিশিল্পী কারিশমা কবির ঐশী, পায়েল বিশ্বাস, ভুবন দাশ ত্রয়ী ও অনামিকা দাশ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












